খয়রাশোলের পর ভাতার, দলীয় কর্মী খুনের ঘটনায় নাম জড়াল অনুব্রতর

Last Updated: Saturday, August 17, 2013 - 12:22

বর্ধমানে তৃণমূল কর্মী খুনেও নাম জড়াল অনুব্রত মণ্ডলের। নিহতের নাম কাজি আবুল কাসেম। মঙ্গলকোটের নপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি। গতকাল বিকেলে ভাতারের কাছে তাঁকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই খুন করা হয়েছে আবুল কাসেমকে। অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।  খয়রাশোলের পর ভাতার। তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় ফের নাম জড়াল বীরভূমের তৃণমূল জেলাসভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। বৃহস্পতিবার বিকেলে বর্ধমানের মঙ্গলকোটের নপাড়া থেকে  ভাতারে আসছিলেন তৃণমূল কর্মী কাজি আবুল কাসেম ও তার সঙ্গী ঘোড়াই শেখ। ভাতারের নরজা মোড়ের কাছে তৃণমূল কর্মী আবুল কাশেমের বাইক লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয় আবুল কাসেমের। গুরুতর আহত হন আবুল কাশেমের সঙ্গী ঘোড়াই শেখ। 
তৃণমূল কর্মী আবুল কাশেমের খুনের ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেই দায়ী করেছেন মৃতের পরিবার। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নেপথ্যে তৃণমূল বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন নিহতের পরিবার।
বর্ধমানের ভাতারে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় কেন উঠে আসছে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম? তৃণমূল সূত্রের খবর দীর্ঘদিন ধরেই বীরভূম লাগোয়া বর্ধমানের  মঙ্গলকোট ও কেতুগ্রামে তৃণণূল সংগঠনের দেখভালের দায়িত্ব ছিল অনুব্রত মণ্ডলের ওপর। বর্ধমানে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন মঙ্গলকোটের নপাড়া গ্রামে খুন হন তৃণমূল কর্মী কটাই মল্লিক। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের দাবি, অনুব্রত  অনুগামী তৃণমূল নেতা বাসু মাস্টার গোষ্ঠীর সদস্য ছিল কটাই মল্লিক।  তৃণমূল নেতা বাসু মাস্টারের সঙ্গে বিরোধ ছিল নিহত নেতা আবুল কাশেমের। তৃণমূল কর্মী কটাই মল্লিক খুনের ঘটনার বদলা হিসাবেই  আবুল কাসেমকে খুন হতে হয়েছে বলে মনে করছে নিহতের পরিবার। আর এরজন্য বীরভূমের তৃণমূল জেলাসভাপতিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন নিহতের পরিবারই।



First Published: Saturday, August 17, 2013 - 12:22


comments powered by Disqus