নন্দীগ্রামে তৃণমূল উপপ্রধান খুনের ঘটনায় সিপিআইএম নেতা অশোক গুড়িয়া গ্রেফতার

Last Updated: Wednesday, February 5, 2014 - 10:14

নন্দীগ্রামে তৃণমূল উপপ্রধান খুনের ঘটনায় সিপিআইএম নেতা অশোক গুড়িয়াকে গ্রেফতার করল পুলিস। তাঁর সঙ্গে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজনের নাম শেখ সাহলম। দ্বিতীয়জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

গতকাল রাত আটটা নাগাদ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে খুন হন বয়াল দুনম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল উপপ্রধান সমর মাইতি। নন্দীগ্রাম থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করে তাঁর পরিবার। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা খুনের জন্য সিপিআইএমকে দায়ী করেছেন। রাত একটা নাগাদ অশোক গুড়িয়াকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিস।

নন্দীগ্রামে আততায়ীর গুলিতে খুন হন তৃণমূলের এক উপপ্রধান। গতকাল বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন সমর মাইতি। এসএসকেএম হাসপাতালে আনার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। শাসকদলের অভিযোগ, নন্দীগ্রাম কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিটে উল্লসিত সিপিআইএম। সমর মাইতি খুনের ঘটনায় তাদেরকেই দায়ী করেছে তৃণমূল। যদিও স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মঙ্গলবার রাত আটটা। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথ ধরেছিলেন নন্দীগ্রামের বয়াল দুনম্বর পঞ্চায়েত সমিতির উপপ্রধান সমর মাইতি। একটি সরু রাস্তা ধরে আসছিলেন তিনি। অন্ধকারের মধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।

সমর মাইতির চোখে, কোমরে ও হাতে গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। প্রথমে রেয়াপাড়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সমর মাইতিকে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় ডাক্তাররা সমর মাইতিকে এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করেন। কলকাতায় আনার পথে নন্দকুমারের কাছে তাঁর মৃত্যু হয়। ময়না তদন্তের জন্য দেহ ফের তমলুক জেলা হাসপাতালে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তৃণমূল এই অভিযোগ করলেও, স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্ব তা অস্বীকার করেছে। সমর মাইতি খুনের ঘটনায় শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দলকেই দায়ী করেছে তারা।



First Published: Wednesday, February 5, 2014 - 10:14


comments powered by Disqus