তৃণমূলের দাপটে ত্রস্ত হলদিয়া, আক্রান্ত কংগ্রেস ও বাম প্রার্থী

Update: May 24, 2012 14:00 IST

হলদিয়ায় কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাতে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী ঝর্ণা গিরির বাড়িতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। প্রার্থীকে মারধরের পাশাপাশি তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, প্রার্থীর মেয়েরও শ্লীলতাহানির চেষ্টা হয়। বাধা দিতে গেলে আক্রান্ত হন প্রার্থীর স্বামী মহিতোষ গিরি এবং প্রার্থীর ভাই মঙ্গল বেরা। দু`জনকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মঙ্গল বেরা হলদিয়া টাউন যুব কংগ্রেসের সভাপতি। অভিযোগ, প্রার্থীর বাড়িতে উপস্থিত তাঁর তিন আত্মীয়ের ওপরও হামলা হয়। এমনকি বাড়িতে ভাঙচুর, লুঠপাটেরও অভিযোগ করা হয়েছে। রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রার্থীর স্বামী এবং ভাইকে। প্রার্থীর ৩ আত্মীয়ও হাসপাতালে ভর্তি। 

এই হামলার ঘটনায় ওই ওয়ার্ডেরই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবু মণ্ডল জড়িত বলে অভিযোগ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কংগ্রেস নেতৃত্বের। অন্যদিকে বুধবার রাতে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম প্রার্থী অনিমা হালদারের স্বামীর ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সুখেন্দুশেখর হালদার গতরাতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পতাকা বাঁধছিলেন। সে সময় তাঁর ওপর বাঁশ এবং রড নিয়ে হামলা চালায় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। এই ঘটনাতেও অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। হলদিয়া বন্দর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সুখেন্দু শেখর হালদারকে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি জায়গায় সিপিআইএম কর্মীদের পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

EK TA dhoi R joh SIMA AACHAI A R POR TRINOMOL GHARe TAK TAY PAR BAY ?chi..........................toder............ma............toh............nai...ebar manush o harabi

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।