শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর, মদনের হুঙ্কার

Last Updated: Wednesday, January 9, 2013 - 12:15

রাজ্যের মন্ত্রীর গলায় স্পষ্ট শাসানির সুর। মাইক হাতে জোর গলায় মদন মিত্র বললেন, রজ্জাক মোল্লা পাগল। সেই সঙ্গে আরাবুল ইসলামকে ক্লিনচিট দিয়ে বললেন, "আরাবুল তাজা একজন নেতা। ও মার খেলে কি আমরা রসগোল্লা খাব!"সেই সঙ্গে মদন মিত্রের ঘোষণা, "বামনঘাটায় অশান্তি হলে দায়ী থাকবে সিপিআইএম, প্রশাসন কোনও দায়িত্ব নেবে না"। সঙ্গে শাসানি দিলেন "শেষ হয়ে যাবে সিপিআইএম, শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর"।
কেউ পাঁচ মিনিটে সিপিআইএমকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। আবার কেউ রেজ্জাক মোল্লাকে বলছেন ভাঙড়ের সবচেয়ে বড় গুণ্ডা। একটু পরেই আরেক নেতার গলায় শোনা যাচ্ছে, সুস্থ থাকতে হলে সিপিআইএম যেন ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন না দেখে। আজ বামনঘাটায় তৃণমূলের সভার সুর এমনই ছিল। একদিকে সিপিআইএমের উদ্দেশ্যে চরম শাসানি। অন্যদিকে দলের নেতা আরাবুলের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও নিঃশর্ত সমর্থন।
বামনঘাটায় গোলমালের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বুধবার সেখানেই সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবাদ সভা। নেতাদের গলায় ছিল সিপিআইএমের উদ্দেশ্যে শাসানি। পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র বার্তা দিলেন, "শেষের সে দিন ভয়ঙ্কর।"     
দিনকয়েক আগেই হাসপাতালে রেজ্জাক মোল্লাকে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন অবশ্য প্রবীণ সিপিআইএম নেতার উদ্দেশ্যে তাঁর আক্রমণ বাঁধ ভেঙেছে যাবতীয় শালীনতার।
মঞ্চে ছিলেন মুকুল রায়ও। সিপিআইএমকে সুস্থ থাকার উপায় বাতলেছেন তিনি।     
একসময়ের জোটসঙ্গী কংগ্রেসও বাদ যায়নি আক্রমণের নিশানা থেকে। এদিন মঞ্চ থেকে কখনও চোর, কখনও আবার মূর্খের দলের তকমা জুটেছে কংগ্রেসের কপালে।
সভা শেষে বামনঘাটা থেকে ভোজেরহাট পর্যন্ত মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। 



First Published: Wednesday, January 9, 2013 - 18:45


comments powered by Disqus