সিপিআইএম কর্মী খুনের প্রতিবাদে আজ ১২ ঘণ্টার বন্‍ধ উলুবেড়িয়ায়

Update: May 2, 2012 10:42 IST

উলুবেড়িয়ায় সিপিআইএম কর্মী রহমান আলির খুনের প্রতিবাদে বুধবার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে খুন হন উলুবেড়িয়ার শিকল গ্রামের বাসিন্দা বছর ৪৫-এর রহমান আলি।

রোজকার মতই মঙ্গলবার সকালে কাজে বেরিয়েছিলেন তিনি। বাড়ি থেকে কিছু দুরেই তাঁর ওপর হামলা চালায় একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী। ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গুরুতর জখম অবস্থায় প্রায় দু থেকে আড়াই ঘন্টা তাঁকে ফেলে রাখা হয়। সাহায্যর জন্য যাতে কেউ এগিয়ে না আসে তা নিয়েও হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘন্টা তিনেক পর এই সিপিআইএম কর্মীকে উদ্ধার করে শ্যামপুর থানার পুলিস। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় রহমান আলির। দুষ্কৃতীরা রহমান আলির বাড়িতেও হামলা চালায়। আহত হয়েছেন তাঁর ভাই। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বলে অভিযোগ সিপিআইএমের। এলাকায় তল্লাসি চালিয়ে বেশকিছু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিস। ঘটনায় তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে সিপিআইএম।







Post Your Comment

Total Comments:3

tmc para bota.

its a horrible situation in bengal....i think its the worst time ever bengal passes.....everyone should protest against it....from every party... spicially inntelectuals...only becouse protect democracy....otherwise it will be uncontrolled..............

poribarton na..ki6uto change dekhatei hobe.banglar manush chey6ilo ek r pelo r ek..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।