কংগ্রেসের কর্মীসভায় তৃণমূলের বিরোধিতা, প্রশ্নের মুখে জোটের ভবিষ্যত্‍

Update: May 5, 2012 21:58 IST

পুরসভা নির্বাচনের পর পঞ্চায়েত ভোটেও কংগ্রেস-তৃণমূল জোট ভেস্তে যাওয়ার মুখে? নানা ইস্যুতে দুই শরিক দলের সম্পর্কের তিক্ততা বার বার প্রকাশ্যে চলে আসছে। তারই এক নজির শনিবার দেখা গেল বাঁকুড়ায়। এদিন বাঁকুড়া বঙ্গবিদ্যালয়ে কংগ্রেসের কর্মীসভার সুর ছিল তৃণমূল বিরোধী।

এদিন বাঁকুড়ায় কংগ্রেসের জেলা সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অজয় ঘোষ বলেন, ``রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন কংগ্রেস কর্মীরা।`` সভায় আসা কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের মতামতকে কোনওরকম গুরুত্বই দেওয়া হচ্ছে না। বিধানসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনেই তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে জয়ের পর তাঁদের দিকে তৃণমূল কংগ্রেস আর ফিরেও তাকায়নি বলেও অভিযোগ কংগ্রেস কর্মীদের।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের সঙ্গে জোটপ্রক্রিয়া কোনওদিনই মসৃণ হয়নি কংগ্রেসের কাছে। বহু ক্ষেত্রে জটিলতা কাটাতে কংগ্রেস হাইকমান্ডকে আসরে নামতে হয়েছে। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোট নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ দুদল। তবে সেই জোটের পথ যে মোটেই সুগম হচ্ছে না, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল বাঁকুড়ায় কংগ্রেসের জেলা সম্মেলন থেকে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোটের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে ধন্দে সকলেই।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।