বারাকপুরে তরুণী খুনই হয়েছে, নিশ্চিত তরুণীর পরিবার

আত্মহত্যা নয়, বারাকপুরে মৃত তরুণীর পরিবার নিশ্চিত খুনই করা হয়েছে তাঁদের বাড়ির মেয়েকে। গতকাল বারাকপুরের ওয়্যারলেসপাড়ার একটি আবাসন থেকে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

Updated: Sep 16, 2012, 07:31 PM IST

আত্মহত্যা নয়, বারাকপুরে মৃত তরুণীর পরিবার নিশ্চিত খুনই করা হয়েছে তাঁদের বাড়ির মেয়েকে। গতকাল বারাকপুরের ওয়্যারলেসপাড়ার একটি আবাসন থেকে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গ্রেফতার করা হয় ওই তরুণীর সহপাঠী সত্যজিত্‍ রায়কে। খুনের মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু করেছে পুলিস। তবু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সবদিকই খতিয়ে দেখছে পুলিস। আজ ধৃত সত্যজিত‍ রায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
প্রথম থেকেই সত্যজিত্‍ রায় দাবি করছিলেন আত্মহত্যা করেছেন তাঁর সহপাঠী হলদিয়া ডেন্টাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী এই তরুণী। কিন্তু টালিগঞ্জের বাসিন্দা সত্যজিতের অসংলগ্ন কথাবার্তা এবং বক্তব্যের অসঙ্গতি থেকে পুলিসের সন্দেহ, ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন করে সত্যজিত্। তাছাড়া এখনও পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে পুলিস এমন কোনও সূত্র পায়নি, যাতে আত্মহত্যার প্রমাণ মেলে। সেকারণেই খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তবে অপেক্ষায় রয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টেরও। তরুণীর পরিবার অবশ্য কোনওভাবেই আত্মহত্যার তত্ত্ব মানতে রাজি নয়। তাঁদের অভিযোগ, ইদানিং ওই ফ্ল্যাটে আসাযাওয়া বেড়ে গিয়েছিল সত্যজিতের। রীতিমতো পরিকল্পনা করে, ঠান্ডা মাথায় সত্যজিত্‍ তাঁদের বাড়ির মেয়েকে খুন করেছে বলে পরিবারের দাবি।
 
 
শনিবার কোচবিহারের বাসিন্দা ওই তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধারের পর `রিকনস্ট্রাকশন অফ ক্রাইম`-এর জন্য দফায় দফায় বারাকপুরের  ওয়্যারলেসপাড়ার সত্যম বিহার আবাসনে নিয়ে যাওয়া হয় সত্যজিত্‍-কে। সঙ্গে ছিলেন জেলার উচ্চপদস্থ পুলিসকর্তারা। তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পেরেছে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওই ফ্ল্যাটে ঘটনার দিন রতে সত্যজিত্‍ এবং ওই তরুণী ছাড়া আরও কেউ ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।