`অপরাধনগরী` বারাসতের আতঙ্কের দলিল
Update: January 13, 2013 20:47 IST
বারাসতকে এখন বলা হচ্ছে আতঙ্কনগরী হিসাবে। কিন্তু কেন! বারাসতে কী এমন হল যে... সেই বারাসতকে নিয়েই এক দলিল আমাদের ওয়েবসাইটে।
দুষ্কৃতীদের হাত থেকে দিদিকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল রাজীব দাসের। প্রায় দুবছর বাদে, সহকর্মীর ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করে নিগৃহীত জনাকয়েক যুবক। মাঝের দুবছরে বারাসতে বারবার আক্রান্ত হয়েছেন মহিলারা। ভর দুপুর হোক বা গভীর রাত। বারাসত মানেই দুষ্কৃতীদের অবাধ বিচরণ। আর বুকে একরাশ আতঙ্ক নিয়ে মহিলাদের পা ফেলা। দুবছরেও বদলায়নি ছবিটা।
২০১১, ১৪ ফেব্রুয়ারি দিদির সম্মান বাঁচাতে গিয়ে খুন হন রাজীব দাস। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিস।
ওই বছরেরই ২ অগাস্ট জেলাশাসকের দফতরের কাছে আক্রান্ত হয় এক পুলিসকর্মীর পরিবার। ঘটনায় গ্রেফতার এক।
২০১১, ২ সেপ্টেম্বর জেলাশাসকের দফতরের সামনে পুলিসকে লক্ষ্য করে গুলি চলে। গ্রেফতার এক।
২০১২, ২৭ এপ্রিল অপহরণ করা হয় এক ছাত্রীকে। পরে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়ানো হয় তাঁকে।
২০১২,২৭ জুলাই বারাসত স্টেশনের কাছে মেয়ের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হন বাবা। গ্রেফতার তিন।
২০১২, ২০ অগাস্ট কিশোরির শ্লীলতাহানির ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
২১ অগাস্ট এক মহিলাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়। পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিস।
৩১ অগাস্ট মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে গিয়ে মার খান মা। ঘটনায় গ্রেফতার এক।
২০১২, ৩ সেপ্টেম্বর পাড়ার মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে গিয়ে খুন হন এক চিকিত্সক। গ্রেফতার দুই।
২০১২, ২৯ ডিসেম্বর এক ইটভাটার মহিলা কর্মীকে নির্যাতন করে খুন। ধৃত এক।
শনিবার দুপুরের ঘটনা প্রমাণ করল প্রশাসনের যাবতীয় প্রতিশ্রুতির পরেও বারাসত আছে বারাসতেই।