বারাসাত কাণ্ডে নয়া মোড়, গ্রেফতার মহিলার স্বামী

Last Updated: Tuesday, January 15, 2013 - 16:46

বারাসতে মহিলা খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় নিল তদন্ত। তদন্তের দায়িত্ব নিয়েই খুনের অভিযোগে আজ মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করে সিআইডি। গতমাসে ইটভাটা থেকে মহিলার দেহ উদ্ধারের পরেই গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ তোলেন মহিলার স্বামী মহসিন আলি। তবে তার বয়ানে অসঙ্গতি থাকায় সন্দেহ হয় গোয়েন্দাদের। এরপরেই লাগাতার জেরার মুখে স্ত্রীকে খুন করার দায় স্বীকার করেন মহসিন। মহসিনকে   দিনের   হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। বারাসাত কাণ্ডে নয়া মোড়, গ্রেফতার মহিলার স্বামী
সন্দেহের বশে স্ত্রীকে খুন করে রীতিমতো গল্প ফেঁদেও শেষ রক্ষা হল না। বারাসতে মহিলা খুনের ঘটনায় পুলিসি জেরায় ফাঁস হয়ে গেল পুরো ছক। গত ২৯ ডিসেম্বর সোনাখড়কির ইটভাটা থেকে উদ্ধার হয় মহিলার দেহ। গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ তোলেন মহিলার স্বামী মহসিন আলি।  দুষ্কৃতীরা তাকেও অ্যাসিড খাইয়ে দেয় বলে অভিযোগ জানান তিনি। মহসিনকে  আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি কার হলেও ক্ষতচিহ্ন পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান, কোনওভাবেই জোর করে অ্যাসিড খাওয়ানো হয়নি তাকে।
জোর করে অ্যাসিড খাওয়ানো হলে ঠোঁটে বা শরীরের অন্যান্য অংশেও অ্যাসিডে পো়ডার দাগ থাকত। ময়নাতদন্তে মহিলার শরীরেও এমনকোনও চিহ্ন মেলেনি যাতে গণধর্ষণ প্রমাণিত হয়। একইসঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সকরা জানান, মহিলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পিছন দিক থেকে গামছা জাতীয় কোনও কিছু দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করা হয়, ফলে তাঁর ঘাড়ের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। পরে  মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাতও করা হয়। চিকিত্‍সকদের কথা থেকেই প্রথম সন্দেহ হয় গোয়েন্দাদের। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদে মহসিন আলির বয়ানেও ধরা পড়ে একাধিক অসঙ্গতি। শেষপর্যন্ত লাগাতার জেরার মুখে মহসিন আলি ভেঙে পড়ে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। সন্দেহের বশেই মহসিন আলি তাঁর স্ত্রীকে খুন করেছে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। এরপর মঙ্গলবার খুনের তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। আজ ধৃত মহসিন আলিকে বারাসত আদালতে তোলা হবে।



First Published: Tuesday, January 15, 2013 - 16:46


comments powered by Disqus