রবীন্দ্রনাথকে রুখতে তৃণমূলের অস্ত্র বেচারাম

Update: November 28, 2012 10:37 IST

তৃণমূল কংগ্রেসে তোলাবাজি নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অভিযোগের কড়া সমালোচনা করলেন কৃষি দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বেচারাম মান্না। তাঁর দাবি, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলে ঠিক কাজ করেননি। এমনকি সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দায় এড়াতেই, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সরকার থেকে সরে যেতে চাইছেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেচারাম মান্না।  

সিঙ্গুর আন্দোলনে দুজনে লড়েছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। কিন্তু রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর থেকেই একসময়ের দুই সঙ্গীর মাঝে আজ বিশাল দূরত্ব।  তবু এতদিন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য এবং বেচারাম মান্না একে অপরের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি। কিন্তু মঙ্গলবার তার ব্যতিক্রম হল। তৃণমূল কংগ্রেসে যথেচ্ছ তোলাবাজি চলছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা জানেন বলে অভিযোগ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তারপরই সিঙ্গুরের মাস্টারমশাইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন কৃষি দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বেচারাম মান্না।

রদবদলের পর প্রথম প্রথম মুখ বুজে থাকলেও, এখন সরব হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। প্রায় প্রতিদিনই নিয়ম করে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। কেন হঠাত্ দলের বিরুদ্ধে এতটা আক্রমণাত্মক হলেন তিনি? নতুন দফতরের দায়িত্ব নিতে তাঁর এত অনীহাই বা কেন? পুরো ঘটনায় বেচারাম মান্না কিন্তু অন্য রকম গন্ধ পাচ্ছেন। মন্ত্রিসভায় মাস্টারমশায়ের কাজের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বেচারাম মান্না।

বেচারাম মান্নার বক্তব্য, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু দলের নিয়ম মেনে তা শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো উচিত ছিল। বিষয়টি নিয়ে মাস্টারমশায়ের প্রকাশ্যে মুখ খোলাকে মোটেই ভাল চোখে দেখছেন না তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:5

This is not new in Trinomul Congress. Rabindranathbabu, you are welcome but it is too late. Now Singur is nothing but a heap of ruination. Who is responsible for this?

বেচারাম মান্না সেও মন্ত্রি ।কি তার ব্যবহার ।কি তার চাহুনি,কি তার কথার ধরন ।উনি মাস্তার মশায় কে টেক্কা দিতে চতেক্কা। এতা হল অর্বাচীনতার শেষ ধাপ।বেচারাম সারা জীবন ড্রাইভারের কাজ করে এল ,আজ হয়ে গেলেন মন্ত্রি।কি হবে বাংলার ।এখন বাংলার সমস্ত লকের উচিত ,এর থেকে কি করে তারা তারি নিষ্কৃতি পাওয়া জায়।

decition is good

Khub Lojjar bapayer Becharam Manna (karkhaner Pump Chalaten) aaj Robinbabur samalochona korchen. Trinomulnetrir Binas kale motivrom.Mastermosaier proyojon phuriache, jemon Kobir Sumoner hoyache,

KOTHAI GELEN MOMBATIWALLA SUSIL SAMAJER BIGDDHOJPNER, SINGURER GANDOGOLER SOMAY JARA ROBINDRONATHBABUR PADODHULI NIYA CHILEN,MASTERMOSAIER ASHIRBAD PARTHONA KORE CHILEN TARA EBAPAYARE MUKH KHUCHENNA KENO? SESE KINA KARKHANAR PUMP CHALATEN EMUN EK KORMI KE ER MOKABILA KORTE TRINOMULESWARI NIRDESH DIYACHEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।