মমতার সফরের আগে সিঙ্গুরে বিক্ষোভের মুখে বেচারাম

Update: November 28, 2012 16:49 IST

সিঙ্গুরের মাটিতেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না। রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে কৃষিমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন সিঙ্গুরের বাসিন্দারা। তাঁরা যে মাস্টারমশাইয়ের পাশেই আছেন তা আরও একবার জানিয়ে দিলেন তাঁরা। আজ নতুন কৃষি প্রতিমন্ত্রী বেচারাম মান্নাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে রাজ্য সরকার। জমি তো ফেরত মেলেই নি, উপরন্তু বরাদ্দ চাল ও টাকা কিছুই পাচ্ছেন না তাঁরা। বেচারাম মান্নার বিরুদ্ধেও এদিন ক্ষোভ উগরে দেন সিঙ্গুরবাসী।

অনিচ্ছুক কৃষকদের জন্য যে চাল ও টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, তা বেশ কয়েক মাস ধরেই পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিক্ষোভ দেখান অনিচ্ছুক কৃষকরা। অনেক দিনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ থেকেই বেচারামকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল বলে স্থানীয় মানুষরা জানিয়েছেন। পরিস্থিতি দেখতে শুক্রবার সিঙ্গুরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



এদিনই সকালে আবার বেচারাম মান্নার বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, সিঙ্গুর আন্দোলন চলাকালীনই টাটা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এলাকার এক ধনী ব্যক্তির বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল বেচারাম মান্নার।

একেই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর সঙ্গে বেচারাম মান্নার প্রকাশ্য বিরোধ, তার ওপর আবার অনিচ্ছুক কৃষকদের বিক্ষোভ সব মিলিয়ে বেকাদায় রাজ্য সরকার। যে সিঙ্গুর আন্দোলনের হাত ধরে ক্ষমতা দখল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতায় থেকে সেই সিঙ্গুর কাঁটাই ব্যথা দিচ্ছে মমতাকে।





Post Your Comment

Total Comments:3

is Singur going to be the nemesis of our beloved chief minister? let`s wait and watch

Becharambabu ghare jaben na, Amra kolkata theka je Bibriti debo ta sune apni sakti paben. `` CPMER KICHU PETOA LOK BIKHOB DEKHIACHE STANIO GRAMBASIRA OTE CHILONA, TARA DARUN KHUSI GRAMER CHELE BECHA AAJ MONTRI HOYACHE. CPMER PETOA TV CHANEL BA KAGOGER KATHA BISWAS KORBEN NA.`` ``BECHRAM TUMI AGIA CHOLO AMRA TOMER SATHE ACHI. JAI MAMATA BANERJEER JAI``.

bhai bhai lagacha pora thik hoba.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।