বন্দুক উঁচিয়ে হার ছিনতাই বারুইপুরে

Update: January 23, 2013 20:45 IST

বারুইপুরে ফের বাইকবাহিনীর হামলা। হরিহরপুরে এক মহিলার হার ছিনতাই করে উধাও হল দুষ্কৃতীরা। পিছনে ধাওয়া করায় মহিলাকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায় তাঁরা। গত কয়েকদিন পর পর তিনটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও ধরা পড়েনি কেউই। ফলে রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা।  ক্ষোভ বাড়ছে পুলিসি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও।

গত সপ্তাহেই বারুইপুর এলাকায় ছিনতাই এবং গুলি চালানোর দুটি ঘটনা ঘটেছে। বুধবারও ভরদুপুরে একই কায়দায় হরিহরপুর এলাকায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী মহুয়া দে চক্রবর্তীর গলার হার ছিনতাই করল দুষ্কৃতীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাড়ির সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। হঠাতই বাইকে চেপে এসে তিন দুষ্কৃতী কোনওকিছু বুঝে ওঠার আগেই মহুয়াদেবীর গলা থেকে হার ছিনতাই করে  চম্পট দেয়। মহুয়াদেবী পেছনে ধাওয়া করলে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের এসডিপিও। গত সপ্তাহেই বারুইপুরে ছিনতাই এবং গুলি চালানোর দুটি ঘটনা ঘটেছে। পরপর এধরনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

Post Your Comment

Total Comments:5

TRINOMULI BIBRITI :-`` CPMer DALAL TV CHANEL O SANGBADPROTER MITHYA ROTONA. BISWAS KORBEN NA.AMI KHABOR NIYE JENECHI OKHENE OROKOM KICHU HOINI.``

ato bandhuk kotha theke alo....ata churi naa dine dakati....

Churi Chhintai Dakati, Hobena udhao ratarati. EKEI BOLE PORIBORTON- KI BOLEN BHATER BUDDHIDHOR POROJIBIRA?

Churi Chhintai Dakati, Hobena udhao ratarati. EKEI BOLE PORIBORTON- KI BOLEN BHATER BUDDHIDHOR POROJIBIRA?

Churi Chhintai Dakati, Hobena udhao ratarati. EKEI BOLE PORIBORTON- KI BOLEN BHATER BUDDHIDHOR POROJIBIRA?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।