বীরভূমে তৃণমূলের গ্যাং ওয়ারে অ্যাম্বুলেন্স থেকে বেরিয়ে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা, গুলিবিদ্ধ তিন

বীরভূমের বাহিরিতে প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর গ্যাং ওয়ার। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তিন জনের। এদিন বাহিরি থেকে বোলপুরের দিকে আসছিল একটি অ্যাম্বুল্যান্স। নানুরের বিধায়ক গদাধর হাজরার টাকায় কেনা ওই অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল তৃণমূল নেতা কাজল শেখ গোষ্ঠীর লোকজন। উল্টো দিকে থেকে একটি স্কুটার ও একটি বাইকে চেপে আসে বিধায়ক গদাধর হাজরার অনুগামীরা। দুপক্ষই সশস্ত্র অবস্থায় ছিল।

Updated By: Sep 28, 2015, 07:43 PM IST
বীরভূমে তৃণমূলের গ্যাং ওয়ারে অ্যাম্বুলেন্স থেকে বেরিয়ে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা, গুলিবিদ্ধ তিন

ওয়েব ডেস্ক: বীরভূমের বাহিরীতে প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর গ্যাংওয়ার। প্রকাশ্য রাস্তায় ভরদুপুরে শুটআউট। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল তিনজনের।

রাস্তার ধারে গাছে থেঁতলে যাওয়া গাড়ি। গাড়ির চাকায় পিষে যাওয়া স্কুটার। আর পাশের জমিতে পড়ে তিনটি গুলিবিদ্ধ নিথর দেহ। একেবারে মুম্বইয়ের আন্ডার ওয়ার্ল্ডের ঢঙে গ্যাঙওয়ার। পটভূমি বীরভূমের বাহিরী।

বীরভূমে রাজনৈতিক সংঘর্ষ চমকে ওঠার বিষয় নয়। তবে এবার সংঘর্ষ হয়েছে তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। বাহিরি থেকে বোলপুরের দিকে আসছিল একটি অ্যাম্বুল্যান্স।

অ্যাম্বুল্যান্সে ছিল তৃণমূল নেতা কাজল শেখ গোষ্ঠীর লোকজন।উল্টো দিকে থেকে একটি স্কুটার ও একটি বাইকে চেপে আসে বিধায়ক গদাধর হাজরার তিন অনুগামী। নিমতলা মোড়ের কাছে অ্যাম্বুল্যান্স সজোরে ধাক্কা মারে স্কুটারে। এরপরেই অ্যাম্বুল্যান্স থেকে বেরিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে কয়েকজন। ঘটনাস্থলের মৃত্যু হয় তিনজনের।

ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কুরবান শেখ, বুড়ো শেখ ও মোর্তাজা শেখের। কুরবানের বাড়ি পাকুড়িতে। বাকি দুজনের বাড়ি সুলতানপুর পালপাড়া ও মুলুকের আরতি মোড়ে। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অভিযোগ উঠছে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা কাজল শেখের বিরুদ্ধে।

বাহিরির গ্যাং ওয়ারে নিহতরা সকলেই সমাজবিরোধী। তৃণমূলের সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। দাবি করলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

.