বারো বগির বনগাঁ চালিয়ে গিফট অধীরের

Update: December 26, 2012 20:40 IST

অফিস টাইমে বনগাঁ এবং মেন সেকশনে আরও বেশকিছু বারো বগির ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিল রেলমন্ত্রক। আজ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী হতে শুরু করেছে। এর আগে দু চারটি বারো বগির ট্রেন চালানো হলেও তা  একসময় থমকে যায়।

এরপর সাধারণ যাত্রীদের থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আরও বেশি করে ১২ বগির ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, এখন শুধুমাত্র অফিস টাইমে ১২ বগি চললেও দ্রুত সব ট্রেনই ১২ বগির করার কথা ভাবছে রেলমন্ত্রক।

Post Your Comment

Total Comments:2

didir sekha uchit ki vabe kaj korte hoy...sudhu chitkar korlei hoyna.

KALKAI MAMATA BANERJEE JE BIBRITI DEBEN- ``AMAR KORA PORIKOLPONA ADHIR UDBODHON KORCHE`` MOSEHABRA BOLBEL ``THIK`` ``THIK`` ``THIK``. ADHIRBABU KONO UDBODHONI ANUSTHAN KORENNI,MAMATA HOLE KOTI TAKA BIJYAPON AR UDBODHONI KHAROCH KOYAK LOKHYO TAKA KHACHA HOTE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।