বারুইপুরে প্রতিবাদ সভায় বুদ্ধদেব বললেন, রাজ্যে পাড়ায় পাড়ায় গুণ্ডামি চলছে

Update: January 27, 2013 19:28 IST

বক্তব্য রাখার কথা ছিল রেজ্জাক মোল্লার। কিন্তু আহত সিপিআইএম বিধায়ক হাসপাতালে ভর্তি। তাই সমাবেশে শোনান হল তাঁর মোবাইল বার্তা। বারুইপুর রাস মাঠে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের সমাবেশের প্রধান বক্তা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নিশানায় ছিল রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের নানা নীতির কড়া সমালোচনা। ভর্তুকি দিয়ে রেশনে জিনিসপত্র দেওয়ার দাবি। আর সেই সূত্র ধরে তৃণমূলের সমালোচনা।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর নানা সাফল্যের দাবিকে কটাক্ষ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারকে বিঁধলেন কখনও ফসলের দাম না পাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে। কখনও আবার টেনে আনলেন শিল্পায়নের প্রসঙ্গ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের বড় অংশ জুড়ে ছিল আইনশৃঙ্খলা, মহিলাদের সম্মাণ রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ। পঞ্চায়েত ভোটে বামেদের সমর্থনের ডাক দিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় আত্মসমালোচনার সুরও। বারুইপুরে জেলা বামফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক মঞ্জুকুমার মজুমদার, আরএসপি নেতা সুভাষ নস্কর।

রাজ্যে পাড়ায় পাড়ায় গুণ্ডামি চলছে। দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রোমোটার এবং তোলাবাজরা। আইন-শৃঙ্খলা ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে এভাবেই আক্রমণ করলেন সিপিআইএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। হামলা রুখতে সাধারণ মানুষকে পাড়ায় পাড়ায় ঐকবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক নীতির কারণে দেশে দারিদ্র এবং বেকারি, দুইই বাড়ছে। বারুইপুর রাস ময়দানের সমাবেশমঞ্চ থেকে আজ এই অভিযোগ করেন সিপিআইএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। একই সঙ্গে পেট্রোপণ্য এবং সারের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির জন্য কংগ্রেসের পাশাপাশি তৃণমূলকে দায়ী করেছেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:1

comrade: banglar ei doshar janna apni kotota dayi..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।