হলদিয়া পুরসভার বাজেট অধিবেশনে সংবাদমাধ্যকে ঢুকতে বাধা

Update: March 15, 2013 11:15 IST

হলদিয়া পুরসভার বাজেট অধিবেশনে সংবাদমাধ্যমকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই বাধ দেওয়া হল সংবাদ মাধ্যমকে। যদিও এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কোনও কারণ দেখাতে পারেননি হলদিয়ার বিডিও অশোক রক্ষিত। তিনি জানান ওপর মহলের নির্দেশে উনি সংবাদমাধ্যমকে ঢুকতে বাধা দিচ্ছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে তিনিই হাইকোর্টের ঠিক করা ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁর বক্তব্যই যেখানে শেষ কথা হওয়ার কথা তবে কার নির্দেশে এমনটা হল? এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি ম্যাজিস্ট্রেট। বিধানসভার বাজেট অধিবেশন যেখানে সংবাদমাধ্যমের সামনেই হয়, সেখানে হলদিয়া পুরসভায় ঢুকতে বাধা কেন? মেলেনি কোনও প্রশ্নেরই সদুত্তর। 

আজ বাজেট অধিবেশন শুরু হবে হলদিয়া পুরসভায়। যদিও আজ বাজেট পাশ করানোর জন্য ভোটাভুটি হবে না বলেই খবর। বামেদের আশঙ্কা বাজেট পেশই করতে দেওয়া হবে না অধিবেশনে।

ছাব্বিশ আসনের হলদিয়া পুরবোর্ডে বাম কাউন্সিলরের সংখ্যা ১৫। তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলরের সংখ্যা ১১ জন। ইতিমধ্যে দুজন বাম কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অভিযোগ আছে আরও দুই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তাঁদেরও গ্রেফতার করা হলে পুরবোর্ডের বৈঠকে বামেদের শক্তি কমে হবে ১১। সেক্ষেত্রে এক জন বাম কাউন্সিলর অনুপস্থিত থাকলেই বামেরা সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়ে পড়বে।    





Post Your Comment

Total Comments:5

SUVENDU EKHUN EKTU PICHONE PORE GECHE, ONAKE SAMNE ASTE HOBE SEJONYO DIDIR NAMBAR PETE AI SOB APOKORMO UNI KORTAI THAKBE.

SAIRATRANTRIK ABOISTAR RUP EKE EKE PROKAS PACHHE.

সংবাদ মাধ্যম কেন যাবে ? শুভেন্দু আধিকারির ছবি তো চাইলেই পাওয়া যায়। হলদিয়া বন্দরে,শ্রমিকের অন্তরে, বাজেটের খবর মা-মাটি-মানুষ জানতে চায় না। ব্যাস! তাই সংবাদমাধ্যম কে ঢুকতে দেওয়া হয়নি ব্যাস!

Suvendu beta voy peyeche.

MACHHER VERI SAMLATE SAMLATE RAJNITITE PROBESH,INCOME TAX CHHAR DIE KAYEK KOTI TAKAR MALIK S.ADHIKARI.TARGET EBAR HOLDIA.PARE HAITO GOTA RAJYTAKE KINE FELBE.RAJ TNTRE BAS KORBE.THE KING OF HOLDIA S.ADHIKARI.JIO

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।