কৃষি নিয়ে উদ্বিগ্ন বুদ্ধদেব, তোপ বিজেপিকেও

গত দেড় বছরে রাজ্যের কৃষি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে ভেঙে পড়েছে। আজ পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে সর্বভারতীয় কৃষকসভার ৩৬তম জেলা সম্মেলনে এমনই মন্তব্য করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শত বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশে আসা বিপুল জনসমাগমের লক্ষ্যে তিনি বলেন, "চাষের খরচ লাগাম ছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য সরকার ধান কিনছে না।" ফলে কৃষকরা বিপদে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

Updated: Jan 5, 2013, 05:37 PM IST

গত দেড় বছরে রাজ্যের কৃষি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে ভেঙে পড়েছে। আজ পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে সর্বভারতীয় কৃষকসভার ৩৬তম জেলা সম্মেলনে এমনই মন্তব্য করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শত বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশে আসা বিপুল জনসমাগমের লক্ষ্যে তিনি বলেন, "চাষের খরচ লাগাম ছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য সরকার ধান কিনছে না।" ফলে কৃষকরা বিপদে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। যেখানে কেন্দ্র প্রতি কুইন্টালে ধানের দাম বরাদ্ধ করেছে ১ হাজার ২৫০ টাকা। সেখানে এ রাজ্যর ধান চাষিরা ৮০০ টাকার বেশি দাম পাচ্ছেন না বলে বুদ্ধবাবুর অভিযোগ।
তৃণমূল নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের চাকরি হয়নি। অথচ ইমামদের ভাতা দেওয়ার মতো ঘটনায় ভারতীয় জনতা দলের মতো ছিদ্রান্বেষী রাজনৈতিক দলগুলি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এমনটাই মত রাজ্যের প্রক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বহুবার পুর্ব মেদিনীপুর সফরে যেতেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কিন্তু আজ তিনি ধরা দিলেন অন্য মেজাজে। পর্যাপ্ত রাস্তা না থাকায় মোটরবাইকে চেপেই সভাস্থলে পৌঁছতে হয় তাঁকে। সভামঞ্চ থেকে তাঁর অভিযোগ, "রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ধুঁকছে। পূর্ব মেদিনীপুরে পঞ্চায়েতের টাকা চুরি চলছে।" রাজ্যের জেলাগুলিতে চলতে থাকা এই যথেচ্ছ তছরুপের বিষয়টি গ্রামের মানুষ বেশ বুঝতে পাড়ছে বলেই দাবি বুদ্ধবাবুর।
আজ চণ্ডীপুর থানার সামনে বিনয় স্মৃতি ফুটবল মাঠে সমাবেশের মধ্যে দিয়ে সর্বভারতীয় কৃষকসভার ছত্রিশতম জেলা সম্মেলনের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সঙ্গে বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র, বিনয় কোঙার সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব। দু`দিন ধরে চলবে সম্মেলন। আজ বক্তব্যের শুরুতেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, "ভয় দেখিয়ে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মানুষের অধিকারকে আটকানো যাবে না।" রজ্যের বিভিন্ন স্থানে বামপন্থীদের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় সমাজবিরোধীরা আক্রমণ চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।