বর্ধমানে সাসপেন্ড আইও, শো-কজ আইসিকে

Last Updated: Sunday, March 4, 2012 - 18:55

বর্ধমানে প্রদীপ তা ও কমল গায়েন হত্যাকাণ্ডে জেলা পুলিসের গাফিলতি আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল। ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা সাব ইন্সপেক্টর দুর্গাদাস ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করল জেলা পুলিস। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরও কেস ডায়েরির সঙ্গে তা যুক্ত করেননি তিনি। এই অভিযোগেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্তও।
বর্ধমানে দুই সিপিআইএম নেতা প্রদীপ তা ও কমল গায়েন খুনের পর ১০ দিন কেটে গেলেও কেস ডায়েরির সঙ্গে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেয়নি জেলা পুলিস। সেকারণে শুক্রবারই রাজ্য সরকারকে ভত্‍‍সনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পুলিসকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করে এক ঘণ্টার মধ্যে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। এবার ঘটনার তদন্তকারী সাব ইন্সপেক্টর দুর্গাদাস ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করল জেলা পুলিস। হাইকোর্টে মমলার শুনানির আগেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েছিলেন দুর্গাদাস ভট্টাচার্য। কিন্তু তা কেস ডায়েরির সঙ্গে যুক্ত করেননি তিনি। সেকারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়াই কেস ডায়েরি জমা পড়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। এই ঘটনা  দুর্গাদাস ভট্টাচার্যের ইচ্ছাকৃত, না কি কারোর নির্দেশে ঘটিয়েছিলেন, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেকারণেই তাঁকে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এর আগেও দুর্গাদাস ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। প্রায় তিরিশটি মামলা তাঁর হাতে থাকলেও এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকটির কেস ডায়েরি জমা দেননি বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রেও মামলার তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে অহেতুক সময় নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার তদন্তভার এখন সিআইডির হাতে। ঘটনার তদন্তে থাকা জেলা পুলিসের কয়েকজনকেও জেরা করতে পারে সিআইডি। একই কারণে আইসিকে শো-কজ করা হয়েছে।



First Published: Sunday, March 4, 2012 - 18:55


comments powered by Disqus