থানার ভিতর বোমা ফেটে আহত ২ পুলিসকর্মী

Update: April 29, 2012 16:11 IST

বোমা ফেটে গুরুতর জখম হলেন দুই এএসআই। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ থানায়। রবিবার সকালে ওই দুই পুলিসকর্মী উদ্ধার হওয়া বোমা সরাতে গেলে বিষ্ফোরণ হয়। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁদের চিকিত্‍সা চলছে।

সকাল তখন প্রায় পৌনে নটা। আচমকাই মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁ থানা বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে। ভিতরে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখেন, জখম হয়ে পড়ে রয়েছেন থানার দুই এএসআই সুবোধ মণ্ডল এবং জীবন মিশ্র। একজনের হাত উড়ে গেছে। খোঁজ নিতে জানা যায়, থানার ভিতর নিষ্ক্রিয় করে রাখা কিছু বোমা ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর জন্য সরাতে গিয়েছিলেন ওই দুই পুলিসকর্মী। প্রাথমিক অনুমান, তার মধ্যে থেকেই কোনও বোমা ফেটে যায়।
 
গুরুতর জখম অবস্থায় সুবোধ মণ্ডল এবং জীবন মিশ্রকে প্রথমে  বড়ঞাঁ ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে কান্দি মহকুমা হাসপাতাল। শেষে তাঁদের পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।