বাস ধর্মঘটে ভোগান্তির তৃতীয় দিনেও অনমনীয় সরকার

Update: September 19, 2012 09:20 IST

রাজ্য সরকার ভাড়া বৃদ্ধির দাবি মানতে না চাওয়ায় আজ তৃতীয় দিনে পড়ল বাস ধর্মঘট।  ফলে, গত দুদিনের মতো আজও ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ। সকাল থেকেই বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে বাস না পেয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সরকারি বাস চললেও তার সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেট ও জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট।

কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও বাস মালিকরা ধর্মঘট করছেন। বৃহস্পতিবার থেকে মিনিবাস ও ট্যাক্সিরও পরিবহণ ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে, সাঁইত্রিশ হাজার বেসরকারি বাসের পাশাপাশি রাস্তা থেকে উধাও হতে চলেছে আরও আড়াই হাজার মিনিবাস ও তেত্রিশ হাজার ট্যাক্সি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।