শান্তির উপনির্বাচনেও শাসক দলের কারচুপি

Update: February 23, 2013 20:36 IST

তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচন মোটের ওপর শান্তি হয়েছে। একথা মেনে নিয়ে, পঞ্চায়েত নির্বাচনও একই মডেলে করার দাবি জানালেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু। সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবি না করলেও, বিমানবাবুর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল সেরকমই। তিনি বলেন, রাজ্য প্রশাসন শাসক দলের তল্পিবাহক হয়ে কাজ করছে। একথা মাথায় রেখেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা উচিত।  


নির্বিঘ্নেই শেষ হল তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। সৌজন্যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারা। দিনের শেষে ভোটদানের হারও স্বাস্থ্যকর। উপনির্বাচনের জন্য তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে আজ মোতায়েন ছিল ছত্রিশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশ্ন উঠছে, উপনির্বাচনেই যদি প্রায় সাড়ে তিন হাজার  আধাসেনার প্রয়োজন হয়, তাহলে ছহাজার ছশোটি আসনের পঞ্চায়েত নির্বাচন সামাল দেওয়া হবে কীভাবে।   

নলহাটি, রেজিনগর ও ইংরেজবাজার। রাজ্যের তিন উপনির্বাচন এবার মর্যাদার লড়াই। নির্বিঘ্নে ভোট মেটায় সাফল্য দাবি করতেই পারে রাজ্য প্রশাসন। বাস্তব তথ্য কিন্তু বলছে, 

তিনটি কেন্দ্রে ভোট হয়েছে ৩৬ কোম্পানি আধাসেনার কড়া পাহারায়।
ইংরেজবাজারে মোতায়েন ছিল ১১ কোম্পানি আধাসেনা।
রেজিনগরে মোতায়েন করা হয় ১৩ কোম্পানি  আধাসেনা।
নলহাটিতে মোতায়েন করা হয় ১২ কোম্পানি আধাসেনা।   

কোথাও কোথাও অবশ্য আধাসেনার চোখকে ফাঁকি দিয়েই চলেছে অনৈতিক কাজ। চব্বিশ ঘণ্টার ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, ইংরেজবাজারের চিন্তামণি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৫২ নম্বর বুথ চত্বরেই ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল কর্মীরা। 

নলহাটিতে ভোটারদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করে আটক হন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর অশোক ঘোষ। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন বুঝলে সেখানে ফের ভোটগ্রহণ করানো হতে পারে।

তিনটি উপনির্বাচন নির্বিঘ্নে শেষ করতে  জঙ্গলমহল থেকে কুড়ি কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী তুলে আনতে হয়েছে। কয়েক মাস পরেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা। কমিশন চাইলেও রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিরুদ্ধে। তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনের অভিজ্ঞতা কিন্তু প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া পঞ্চায়েত ভোটের বিপুল যজ্ঞ কি নির্বিঘ্নে শেষ করা সম্ভব? 
 





Post Your Comment

Total Comments:3

Hi Indian C.P.I (M) leaders I am Sunny Leon as a porn star. Do you want to fake me? I know Joti Basu was fake with Bangladesi girl in his life. For this He made so many faking places like Sonagachi at Shobha Bazar, Central park at Salt Lake, Vaidik village and Aquatike at Rajarhat. Any C.P.I (M) Leaders can fake me. Now I am in Kolkata . Call me via agent! (1) Khakan 9830476973 (2) Shyam 9836235146 (3) Biswajit 9874443328 (4)Radha 9051813536 (5) Deepika 9830298655

ENSUING PANCHAYAT ELECTION IS GOING TO BE ONE OF THE MOST BLOOD SHEDDING ELECTION.I THINK OPPONENTS WILL NOT BE ALLOWED EASILY TO SUBMIT THEIR NOMINATION. RULING PARTY CAN`T BE RELIED ON.

Having hope on them is itself a big loss @Arindam.

Not only on Nalhati, English Bazar voters are also served by food packets by the ruling party. What a shame!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।