জঙ্গিপুর উপনির্বাচন, ভোটগ্রহণ চলছে শান্তিপূর্ণভাবেই

Update: October 10, 2012 09:40 IST

জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। সকালে উত্‍‍সাহী ভোটারদের লাইন চোখে পড়েছে। বেলা একটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল ৩০ শতাংশ। বেশ কয়েকটি এলাকায় বুথের বাইরে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। গিরিয়া ও সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের এগারোটি বুথে সিপিআইএম ও বিজেপির কোনও নির্বাচনী এজেন্টকে বুথে বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের আটাশ নম্বর বুথে ভুয়ো ভোট দিতে গিয়ে ধরা পড়ে যান কংগ্রেস এজেন্ট জাকিরিয়া হোসেন। তাকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই বুথে বিরোধী পক্ষের কোনও নির্বাচনী এজেন্টকে থাকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জঙ্গিপুরের মূল লড়াই কংগ্রেসের অভিজিত্‍ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সিপিআইএম প্রার্থী মোজফ্ফর হোসেনের।

এই অঞ্চলে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লক্ষ ৪১ হাজার ৭৬৮ জন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে এক হাজার ৫৩০টি বুথে। তারমধ্যে ৭১৬টি বুথকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ৯৩টি বুথে মোতায়েন রয়েছে আধা সামরিক কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়া ৩৮২টি বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জেলা পুলিস সূত্রের খবর, সবকটি বুথকে ১৭০টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরের জন্য রয়েছে ৩৯টি টিআরটি মোবাইল। প্রতিটি থানায় হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াডের পাশাপাশি রয়েছে কুইক রেসপন্স টিম। রয়েছে তিন হাজার ফোর্স। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজরদারির জন্য রয়েছেন পাঁচজন অতিরিক্ত এসপি, ১৫ ডিএসপি এবং ৩২জন ইন্সপেক্টর।

সকাল আটটা থেকে শুরু ভোটগ্রহণ। ফল ঘোষণা ১৩ অক্টোবর।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।