অভাবের তাড়নায় তিন মাসের সন্তানকে হাজার টাকায় বিক্রি করল মা

অভাবের তাড়নায় আবারও শিশুবিক্রির অভিযোগ। এবার আসানসোলে। অভিযোগ তিনমাসের সন্তানকে এলাকার এক দম্পতির কাছে একহাজার টাকায় বিক্রি করে দেন ওই শিশুটির মা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আসানসোল উত্তর থানা। লক্ষ্মী হাঁড়ি। মাস তিনেক আগে জন্ম দেন এক পুত্রসন্তানের। কিন্তু, কীভাবে বড় করবেন ছেলেকে? জানতেন না। কারণ, মাথাগোঁজার ঠাঁইটুকুও যে নেই লক্ষ্মীর। তার ওপর রয়েছে আরও তিন সন্তান। চতুর্থ সন্তানের জন্মের আগেই ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওর স্বামীও। খাওয়ার সংস্থানটুকুও করে উঠতে পারছিলেন না লক্ষ্মী। অভিযোগ এই অবস্থাতেই কোলের সন্তানটিকে এলাকার এক দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন তিনি।

Updated: Feb 22, 2014, 11:30 PM IST

অভাবের তাড়নায় আবারও শিশুবিক্রির অভিযোগ। এবার আসানসোলে। অভিযোগ তিনমাসের সন্তানকে এলাকার এক দম্পতির কাছে একহাজার টাকায় বিক্রি করে দেন ওই শিশুটির মা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আসানসোল উত্তর থানা। লক্ষ্মী হাঁড়ি। মাস তিনেক আগে জন্ম দেন এক পুত্রসন্তানের। কিন্তু, কীভাবে বড় করবেন ছেলেকে? জানতেন না। কারণ, মাথাগোঁজার ঠাঁইটুকুও যে নেই লক্ষ্মীর। তার ওপর রয়েছে আরও তিন সন্তান। চতুর্থ সন্তানের জন্মের আগেই ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওর স্বামীও। খাওয়ার সংস্থানটুকুও করে উঠতে পারছিলেন না লক্ষ্মী। অভিযোগ এই অবস্থাতেই কোলের সন্তানটিকে এলাকার এক দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন তিনি।

খবরটা ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি। ধাদকার তপসীর বাসিন্দারা তো বলছেন, অভাবের তাড়নাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লক্ষ্মী হাঁড়ি।

তিনমাসের সন্তান অসুস্থ। ওষুধটুকুও জোগাড় করতে পারছিলেন না মা। রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রীর প্রশ্ন, ICDS বা জনপ্রতিনিধির কাছে কেন যাননি ওই মহিলা?

আসানসোল পৌরনিগমের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড। পুরপিতা স্বয়ং ডেপুটি মেয়র। আর সেখানেই সন্তানকে বিক্রির অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আসানসোল উত্তর থানার পুলিস।