ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে পঞ্চায়েতকেই দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: April 19, 2012 20:49 IST

বাম পরিচালিত উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতির ক্ষমতা আগেই কেড়ে নিয়েছে সরকার। এবার বসিরহাটে সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা পরিষদ সহ পঞ্চায়েত গুলির বিরুদ্ধে কাজ না-করার অভিযোগ আনলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বসিরহাটে এক অনুষ্ঠানে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনই যে তাঁর আসল লক্ষ্য তা এই অনুষ্ঠানে বারবার বুঝিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কের একটি বড় অংশ সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়। সেই ভোট ব্যাঙ্ককে নিজের পক্ষে টানতে সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই কার্যত পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বসিরহাটে কৃষকদের জন্য কিষাণ ক্রেডিট কার্ড প্রদানের এক অনুষ্ঠানে এসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য একগুচ্ছ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এদিন উঠে এসেছে বাম পরিচালিত জেলাপরিষদের সমালোচনা।
 
 

Post Your Comment

Total Comments:1

যে বা যাহারা বাগ্মী হন তাহারা কর্ম্ম সংস্কৃতি বিষয়টিকে ব্যাতিরেখে খালি বাঙময় ভাষার দ্বারা সক্রিয় কর্মী সমাজকে কর্মবিমুখ হইতে উদবুদ্ধ করেন। তাহারা প্রকৃত পক্ষে বিগত যুগের প্রতিভু। আপনাদের নিকটে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ যে ভোট রাজনিতীকে পরিত্যাগ করে অধঃপতিত কর্ম সংস্কৃতির মাধ্যমে সুন্দর বাংলা বানানো আমাদের প্রধান লক্ষ হওয়া উচিত নয় কি? একবার ভাবুন মান্যবর।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।