লোবায় দোষীদের শাস্তির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

Update: December 4, 2012 18:53 IST

দুবরাজপুরের লোবায় গিয়ে পুলিসের ভূমিকার কড়া  সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার লোবায় এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, জমি নিয়ে লোবায় যে অশান্তি হয়েছে, সেই ঘটনার খবর সরকারের কাছে ছিল না। কিন্তু গুলি চালনার ঘটনা অন্যায় হয়েছে বলে স্বীকার করে নেন তিনি।

গুলি চালনার ঘটনা স্বীকার করে নেওয়ার পাশাপাশি ওই ঘটনায় দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। সেইসঙ্গেই বলেন, "কোনও অবস্থাতেই সরকার জোর করে জমি অধিগ্রহণ করবে না"। লোবার ঘটনায় জেলার এসপিকে ইতিমধ্যেই বদলি করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোবায় গুলিচালনায় দোষীদের শাস্তি সহ একগুচ্ছ দাবিতে সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতরের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ চলছে। অবস্থান-বিক্ষোভ করছেন লোবা গ্রামের কৃষকরা। একই দাবিতে ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ কলকাতা অভিযানের ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

এদিকে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর লোবা গ্রাম পরিদর্শনে যাওয়ার খবর তাদের কাছে ছিল না বলে জানিয়েছে কৃষিজমি রক্ষা কমিটি। অধিকাংশ গ্রামবাসীই অবস্থান-বিক্ষোভে অংশ নিতে সিউড়ি গিয়েছেন। কাজেই এই অবস্থায় কার্যত জনশূন্য ছিল এদিনের লোবা গ্রাম।

Post Your Comment

Total Comments:1

EKNAYAKTONTRA ETAI MOJA CHALLANGE KORAR KAU NAI, DUDINAAGE LOBA KANDE POLICER PROSONGSA KORE CHILEN,LOBAI GIA THIK ULTO KATHA BOLLEN. JAI MAA MATHI MANUSER JAI JAI EKNAYAKTONTER JAI JAI AGNIKONYA KI JAI

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।