ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

Update: December 27, 2012 21:22 IST

পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর হাতিয়ার সেই কেন্দ্র বিরোধী জিগির। কোচবিহারের পুণ্ডিবাড়িতে কৃষিঋণ মেলার উদ্বোধনে ফের ঋণশোধ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। জনমোহিনী ভাবমূর্তি বজায় রাখতে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ঋণশোধের দায় না থাকলে দশ লক্ষ যুবক-যুবতীকে চাকরি দিতে পারত তাঁর সরকার।

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোট দেওয়ার আগে  গত দেড় বছরে সরকারের কাজের খতিয়ান মিলিয়ে দেখতে চাইবেন ভোটাররা, তা বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের টাকা নেই রাজ্যের হাতে, সম্প্রতি বিভিন্ন সভায় ফের একথা বলতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এর দায় কেন্দ্রের ঘাড়ে চাপানোর কৌশলই বেছে নিয়েছেন তিনি। ইউপিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে  ঋণশোধের ইস্যুটিই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

জাতীয় উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দিলেও, উত্তরবঙ্গ সফরের কারণে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ওই বৈঠকে যোগ দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে যোগ দিয়ে ঋণের সুদ-আসল মেটানোর বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

এদিন, পুণ্ডিবাড়ির সভায় রাসায়নিক সার এবং পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জাতীয় সড়কের বেহাল দশার জন্যও কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে, রাজ্য সরকারের সমালোচনা করায়  বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে একহাত নেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:5

In our society, women are tortured physically by men & mentally by women. How can you change this mind set of people like Mamta Banerjee, Abhijeet Mukherjee, Kakoli Ghosh Dastidar, Arpita Ghosh and many more in our society ? All of them are offenders as well. This seems to be an incorrigible social problem. So, we are yet to witness more and more incidents like Delhi & patiala rape cases elsewhere in Bengal as well as India.

মুখ্য মন্ত্রি রিনের ব্যপার টা এমন ভাবে বোঝাতে চাইছেন যে ভারতে একমাত্র পশ্চিম বঙ্গের ঋণ আছে আর কন রাজ্যের নেই ।এই ভুল বোঝান মানে মানে দণ্ডনীয় অপরাধ। খমতায় আসার আগে উনি কোটি বার বলেছেন বাংলার প্নেক ঋণ আছে।তাহলে উনি এই ঋণগ্রস্ত বাংলা কে হাতে নিতে গেলেন কেন। বাংলার যে ঋণ আছে সেটা কখন থেকে সুরু হয়েছে সেতা উনি বলছেন না ।জন গনের এতাও জানা উচিৎ ।এটা ও জানা উচিৎ উনি এই ১৯ মাসে কত ঋণ করেছেন তার শতকের হিসাব কত ।সুতরাং এই ভাবে মিথ্যা বলে বাংলার জন গনের সর্বনাশ করবেন না তাতে আপনার বা আপনার মন্ত্রিদের কিছু লাভ হবে আঁখেরে সর্বনাশ হবে ।

JAKHUN BAMFRONT KENDRER BANCHONAR KATHA BOLTO TAKHUN ER PROCHONDO BIRODHITA KRTEN, TAKHUN KENDROTHEKA TAKA PATHANO BONDER JNYO KOTO TODBIR KORECHEN,MR. JATUA TO LIKHITO BHAVE ABEDON O KORECHILO. TAKHUN APNER CPM BIRODHITAI APNER EK MATRO POINT.EKHUN BASTOB ABOSTYATA BICHAR KARUN. AR APNER ETHORO MASER KAJER BICHAR KORE MANUS VOTE DEBE.

A bad work man always quarrels with his tools. We are fade up with this blame game.

WHAT CENTRAL GOVT. IS DOING TODAY IS IMMATERIAL.SHE SUGGESTED NOT TO GIVE ANY MONEY TO LEFT FRONT GOVT.OF W.B.FOR THE REASON ALL MONEY WOULD GO TO CPM CADRE.CENTRAL GOVT.IS FOLLOWING HER IDEAL SUGGESTION NOTHING MORE.PLEASE REMEMBER PM TO DM WAS HER SLOGAN.A GUN AIMING AT BENGAL`S MA-MATI-MANUSH.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।