আজ আসানসোল সফরে মুখ্যমন্ত্রী

Update: January 10, 2013 10:37 IST

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম আসানসোল সফর। প্রকল্প ঘোষণার প্রশ্নে প্রায় সবক্ষেত্রকেই ছুঁয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে শোনালেন হাজারো, লাখো কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি।   

বৃহত্‍ শিল্পের পাশপাশি ক্ষুদ্র শিল্পেও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে বাম সরকারের কাজকর্মের সমালোচনাও। শোনা গেছে চৌত্রিশ বছর বনাম দেড় বছরের কাজের তুলনা।

নাম না করে এদিন রাজ্যের বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কুত্‍সা চালানোর অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে খানিকটা স্বভাববিরুদ্ধ ভাবে একবারের জন্যেও তিনি মুখে আনেননি ভাঙড়কাণ্ড, রেজ্জাক মোল্লা প্রসঙ্গ। গুণ্ডারাজ চলছে, রাজ্যপালের এই মন্তব্যেরও কোনও প্রতিক্রিয়া শোনা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।

এবারের  সফরে সব মিলিয়ে পনেরোটি প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। উদ্বোধন হবে পাঁচটি প্রকল্পের। আসানসোল ও দুর্গাপুর মিলিয়ে পৃথক জেলা গঠনের ঘোষণাও করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। ইনস্টিটিউট অফ হে্াটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং টেকনোলজি, রানিগঞ্জের অমৃতনগর ও রতিবাটির দুটি পানীয় জল প্রকল্প এবং দুর্গাপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের দ্বিতীয় পর্যায়ের শিলান্যাস করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর শোরুম, বারাবনি ব্লকে একটি জলপ্রকল্পেরও উদ্বোধন হবে পোলো গ্রাউন্ড থেকে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্তদের চেক তুলে দেবেন তিনি। বিলি করা হবে জমির পাট্টা, সাইকেল, পাম্পসেট, পাওয়ার টিলার বিলি করা হবে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।