হলদিয়ায় প্রতীক জমা দিতে গিয়ে অপহৃত কংগ্রেস নেতা

হলদিয়া পুরসভার ভোটে প্রতীক জমা দিতে গিয়ে অপহৃত হলেন কংগ্রেস নেতা মনোজ পাণ্ডে। নির্বাচন কমিশনে এবং দুর্গাচক থানায় এমনটাই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা মনোজ পাণ্ডেকে তুলে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপে মুক্তি পান মনোজ পাণ্ডে। গোটা ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Updated: May 7, 2012, 07:18 PM IST

হলদিয়া পুরসভার ভোটে প্রতীক জমা দিতে গিয়ে অপহৃত হলেন কংগ্রেস নেতা মনোজ পাণ্ডে। আর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কংগ্রেস এবং প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে পুরো ঘটনার জন্য অভিযোগের আঙুল তোলা হল তৃণমূলের দিকে। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনৃ এবং দুর্গাচক থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা মনোজ পাণ্ডেকে তুলে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপে মুক্তি পান মনোজ পাণ্ডে। গোটা ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
সোমবার সকালে হলদিয়া পুরসভার ভোটের জন্য মনোনয়ন পত্র ও দলীয় প্রতীক জমা দিতে মহকুমা শাসকের অফিসে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী মায়া ঘোষ, মনোজ পাণ্ডে সহ কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী তাঁদেরকে ঘিরে ধরেন। এরপরই মনোজ পাণ্ডেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় তারা। মনোজ পাণ্ডের কাছেই ছিল কংগ্রেসের প্রতীক। আর সেকারণেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে, নির্বাচন কমিশন এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে কংগ্রেস। এমনকী নির্বাচন বাতিলেরও দাবি জানায় তারা। ঘটনা নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার আধঘণ্টার মধ্যেই অবশ্য মুক্তি দেওয়া হয় মনোজ পাণ্ডেকে।
গোটা ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে জোট শরিকের জেলা নেতাদের এই আচরণের সমালোচনা করেছেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভোটে গণ্ডগোলেরও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ২৫টির মধ্যে ২১টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে কংগ্রেস। তৃণমূলের অবশ্য পাল্টা দাবি, কংগ্রেস অসত্য অভিযোগ তুলছে। তাদের নেতৃত্বের বক্তব্য হলদিয়া শিলল্পাঞ্চলে কংগ্রেসের এমন কোনও শক্তি নেই, যার জন্য তাদের নেতাদের অপহরণ করতে হবে।