প্রণব মুখার্জির জয়ে মাতলেন সারা রাজ্যের কংগ্রেস কর্মীরা

Update: July 22, 2012 21:58 IST

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে জেলায় জেলায় উত্সবে মাতলেন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। কলকাতার ঢাকুরিয়ায় তাঁর প্রতিবেশিরা মাতলেন উত্সবে। বীরভূমের মিরাটিতে তাঁর গ্রামের বাড়ি থেকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের নির্বাচনী কেন্দ্র। শুভেচ্ছা বিনিময়, মিষ্টিমুখ আর আবির খেলার একই ছবি ধরা পড়ল সর্বত্রই।  

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সমর্থনে বর্ধমান শহরে মিছিল বের করে কংগ্রেস। মেমারি, খণ্ডঘোষ ও ভাতারেও কংগ্রেসের তরফে শোভাযাত্রা বের করা হয়। হুগলির চুঁচুঁড়াতেও শোভাযাত্রা বের করে কংগ্রেস। ঘড়ির মোড় থেকে বের হয়ে সেই শোভাযাত্রা শহর পরিক্রমা করে। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জয়ের আনন্দে হাওড়ার হাঁসখালি পুল থেকে কাজিপাড়া পর্যন্ত শোভাযাত্রা করে কংগ্রেস। উত্তর চব্বিশ পরগনায় ব্যারাকপুর থেকে টিটাগড় পর্যন্ত বিজয় মিছিল করে কংগ্রেস। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জয়কে উদযাপন করতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুরে পথে নামেন কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। শোভাযাত্রা বের করা হয় মহেশতলাতেও। শিলিগুড়ি শহরে শোভাযাত্রা বের হয় যুব কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেবক রোড ও ভেনাস মোড়ে করা হয়েছে উত্সবের আয়োজন। কলকাতায়ও গড়িয়াহাট থেকে রাসবিহারী পর্যন্ত শোভাযাত্রা বের করেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতাকর্মীরা।

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জয়কে উদযাপন করতে শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে এক চা চক্রের আয়োজন করেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা। সেখানে শিল্পমহলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত ছিলেন অর্থনীতিবিদরাও।
 





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।