ধর্ষিতার অভিযোগ নিতে টালবাহানা থানায়, ফেরার তৃণমূল নেতা

Update: January 2, 2013 10:01 IST

ওসি না থাকায় ধর্ষিতা কিশোরীর  অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল মহিলা থানা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি শহরে। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকা শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ জানাতে গত কয়েকদিন ধরে কাঁথি মহিলা থানায় ঘুরছিলেন ওই কিশোরীর। কিন্তু ওসি বাইরে গেছেন, এই অজুহাতে বারে বারেই ধর্ষিতাকে ফিরিয়ে দেন কর্তব্যরত মহিলা পুলিসকর্মীরা। এমনই অভিযোগ ওই কিশোরীর পরিবারের।

বাবা মত্‍সজীবী। অধিকাংশ সময় থাকেন বাইরে। সংসার চালাতে মাকেও কর্মসূত্রে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। সেই সুযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার একটি গ্রামের বাসিন্দা নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে সহবাস করছিল এলাকার তৃণমূল নেতা অজয় সাউ। কিশোরীর অভিযোগ, সেইসময় ওই তৃণমূল নেতা তাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওই তৃণমূল নেতা। তার জন্যই সে এতদিন সে চুপ করে ছিল বলে দাবি তার পরিবারের। 

কিছুদিন আগে মেয়েটির পরিবার সব কথা জানতে পারে। জানা যায় সে পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা। এরপরই মঙ্গলবার ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কাঁথি মহিলা থানায় অভিযোগ জানাতে যায় ওই কিশোরী ও তার পরিবার। কিন্তু ওসি না থাকার অজুহাতে কাঁথি মহিলা থানা ধর্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ করেছে ওই কিশোরীর পরিবার।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছে তৃণমূল নেতা অজয় সাউ। এদিকে পুলিসও অভিযোগ নিতে অস্বীকার করায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ওই ধর্ষিতা কিশোরীর পরিবার।

Post Your Comment

Total Comments:4

Rashtriya Swayamsevak Sangh chief Mohan Bhagwat on Friday kicked up a controversy with his remark that rapes happened in cities and not in the rural areas. ``Such crimes hardly take place in Bharat, but they frequently occur in India,`` Bhagwat said seeming to indicate that ``westernization`` in Indian cities was the reason behind increasing cases of rapes. The remark follows a similar comment by a MP BJP leader who stated that women who did not stay within their limits, paid the price for it just like Sita was abducted by Ravana after she crossed the `Lakshman rekha.STATE BJP LEADER AGREED WITH THIS?

dhorsan kari ra sarkare ele amon i hobe ... manus jene sune eder vote diache kato kharap hote pare delkte ....

তাপসী মালিক মারা গিয়ে `বেঁচে` গেছেন! এযুগে হলে তিনি শহীদ না হয়ে চরিত্রহীনা `প্রমাণিত` হতেন! তাপসী জেনে `খুশী` হবেন এখন তাকে `শহীদ` বানানোওলারাই তার `প্রতিশোধ` তুলছেন!

antoto ekta manuser moto achoron to dekhan boss!!!! sobarki monusotto lob peye geche! ekjon nari dhorshita hoye already se tar manosik koste vugchen, tar proti apnader sohanubhuti dekhanor jagay eki borborotar sommukhin amader Rajjo!!!! ektu manustar kosto ta to bujun!! bolar moto r vasha nei mukhe...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।