'হিরোইন'-এর পোস্টার ঘিরে বিতর্কের ঝড়

Update: July 25, 2012 23:16 IST

পোস্টার টোকার অভিযোগ উঠল মধুর ভান্ডারকরের বিরুদ্ধে। হিরোইন ছবির পোস্টার ইন্টারনেটে প্রকাশিত হওয়ার পরই যে আলোড়ন উঠেছিল, কয়েক ঘণ্টা পরই তা দমে গেল বিতর্কের ঝড়ে।

পোস্টারের মধ্যে ফুটে উঠেছে হিরোইনের রূপ। সোনালি পোশাকে ফিল্ম ম্যাগাজিনে পরিবেষ্টিত বেবো। সঙ্গে ওয়াইন এর খালি গ্লাস। আর সেই পোস্টারের সঙ্গে নাকি ধনবন্ত সাংভির বই `দা লস্ট ফ্লামিঙ্গোস অফ বোম্বে`এর প্রচ্ছদের সঙ্গে। শুধু তাই নয়, মারিয়া ক্যারের অ্যালবাম ` দা এমান্সিপেশন অফ মিমি`র জন্য ব্যবহৃত প্রমোশনাল ছবির সঙ্গেও মিল খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।

শুরু থেকেই খুব একটা মসৃণ ছিল না মধুরের `হিরোইন`-এর যাত্রাপথ। ছবির জন্য মধুরের প্রথম পছন্দ ছিল করিনা। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে তখন সরে দাঁড়ান বেবো। অগত্যা মধুর বাধ্য হন তাঁর দ্বিতীয় পছন্দ ঐশ্বর্যর দিকে ঝুঁকতে। বচ্চন বহুকে নিয়ে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ছবির প্রোমোশনও করেন মধুর। এরপর দেশে ফিরেই আচমকা শোনা যায় মা হতে চলেছেন বচ্চন বহু। সারা দেশ সেই খবরে বিগলিত হলেও মুখ পোড়ে `চাঁদনি বার`-এর পরিচালকের। শেষপর্যন্ত আবার করিনাকেই রাজি করান মধুর। তারপর থেকে মোটামুটি ঠিকাঠাকই এগেচ্ছিল `হিরোইন`-এর কাজ। বিপত্তি দেখা দিল ছবির পোস্টার রিলিজের পরই।

সত্যিই কি পোস্টার টুকেছেন মধুর, নাকি উল্লিখীত ছবিগুলি থেকে শুধুমাত্র অনুপ্রাণিত হয়েই বানিয়েছেন তাঁর নতুন ছবির পোস্টার সেই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি মধুর। তবে বরাবরই মৌলিক ছবি উপহার দেওয়া মধুরের থেকে দর্শক মৌলিক কিছুর আশাতেই রয়েছে এইবারও।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।