বিশ বাঁও জলে চারটি পুরসভার নির্বাচন

পঞ্চায়েত ভোটের পর এবার রাজ্যের চারটি পুরসভার নির্বাচনও বিশ বাঁও জলে। তিরিশে জুন তেরোটি পুরসভার বর্তমান পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে পুরভোট করতে হলে আজকের মধ্যেই ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার কথা। তবে চারটি পুর এলাকার  পুনর্বিন্যাস এবং সংরক্ষণের কাজ শেষ না হওয়ায় সেখানে এখনই ভোট করানো সম্ভব নয় বলেই দাবি কমিশনের।রাজ্য সরকারের টালবাহানার জেরে এবার পুরভোটকে কেন্দ্র করেও তৈরি হল সংশয়।

Updated: Apr 18, 2013, 11:55 AM IST

পঞ্চায়েত ভোটের পর এবার রাজ্যের চারটি পুরসভার নির্বাচনও বিশ বাঁও জলে। তিরিশে জুন তেরোটি পুরসভার বর্তমান পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে পুরভোট করতে হলে আজকের মধ্যেই ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার কথা। তবে চারটি পুর এলাকার  পুনর্বিন্যাস এবং সংরক্ষণের কাজ শেষ না হওয়ায় সেখানে এখনই ভোট করানো সম্ভব নয় বলেই দাবি কমিশনের।রাজ্য সরকারের টালবাহানার জেরে এবার পুরভোটকে কেন্দ্র করেও তৈরি হল সংশয়।
গতবছর ২৭ জুন তেরোটি পুরবোর্ডের ভোটের বিষয়ে জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে জানতে চাওয়া হয় এই তেরোটি পুরএলাকায় কোথাও কোনও ওয়ার্ড বা আসন বাড়াতে চাইছে কিনা সরকার। সেই চিঠির উত্তর কমিশনের দফতরে এসে পৌঁছোয় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি।
সেখানে হাবড়া, ডালখোলা, দুবরাজপুর, বালুরঘাট এবং গুসকরা এই পাঁচটি পুর এলাকায় ওয়ার্ড বাড়ানোর কথা জানিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। তবে গুসকরা ছাড়া বাকি চারটি পুর এলাকায় এখনও পুনর্বিন্যাস এবং সংরক্ষণের কাজ শেষ করতে পারেননি প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
কমিশনের দাবি, এই কাজ শেষ করতে কমপক্ষে ছমাস লাগবে। ফলে ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য সরকারের উত্তর পাওয়ায় কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তিরিশে জুনের মধ্যে মেয়াদ ফুরোচ্ছে রাজ্যের তেরোটি  পুরবোর্ডের। নিয়ম অনুযায়ী ভোট করার দশ সপ্তাহ আগে সংরক্ষণের খসড়া চূড়ান্ত করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে পুরভোট করাতে হলে বৃহস্পতিবারই বিজ্ঞপ্তি জারির শেষদিন। তবে পুনর্বিন্যাস ও সংরক্ষণের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষেও যদি ভোট করানো সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবে দায়িত্বভার বর্তায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের ওপরে। ফলে হাবড়া, ডালখোলা, দুবরাজপুর, বালুরঘাট এই চারটি এলাকায় প্রশাসক বসবে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহলের।