বীজপুরে আক্রান্ত সিপিআইএম নেতৃত্ব, মিছিলে বাধা

Update: December 22, 2012 15:30 IST

দুষ্কৃতী হামলা থেকে পুলিসের পথরোধ। উত্তর ২৪ পরগনায় বাধা পেল বামেদের মিছিল। খুচরো ব্যবসায় এফডিআইয়ের প্রতিবাদ সহ একাধিক দাবিতে আজ জেলায় চারটি পদযাত্রা করে বামেরা। বীজপুরের কাছে একটি পদযাত্রায় হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তাতে আহত হন সিপিআইএম নেতা নেপালদেব ভট্টাচার্য বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী। অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মীরাই এই হামলা চালিয়েছে। ভাটপাড়ার কাছে ফের পদযাত্রাটি আটকে দেয় পুলিস।   

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে উত্তর ২৪ পরগনা জুড়ে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে বামেরা। শনিবার জেলার চারটি জায়গা থেকে পদযাত্রা বের করে বামেরা। পদযাত্রাকে ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড হয় বীজপুরের বাগমোড়ে। মিছিলে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। দুষ্কৃতীদের ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন সিপিআইএম নেতা নেপালদেব ভট্টাচার্য।

আরেক সিপিআইএম নেতা তড়িত্ তোপদারের গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি সামলাতে গেলে পুলিসকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিসের তিনটি জিপেও। আহত সিপিআইএম সমর্থকদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মিছিলে যেখানে হামলা হয়েছে তা তৃণমূল সাংসদ মুকুল রায়ের ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের নির্বাচনী ক্ষেত্র। হামলার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সিপিআইএমের অভিযোগ, পুলিস একজনকে গ্রেফতার করলেও, তৃণমূল সমর্থকরা তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে ভাটপাড়ার কাছে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মিছিলটি আটকে দেয় পুলিস।

ভাটপাড়ায় বাধা পাওয়ার পর শ্যামনগর থেকে ফের মিছিল শুরু হয়। শেষ হয় বারাকপুরে। বারাসত কাছারি ময়দান থেকে আরেকটি পদযাত্রা যায় দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার পর্যন্ত। উল্টোডাঙা থেকে শুরু পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সেই মিছিলও যায় দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার পর্যন্ত।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তর ২৪ পরগনায় একাধিক কর্মসূচি রয়েছে সিপিআইএমের। বিভিন্ন পদযাত্রা কর্মসূচি ছাড়াও, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় জনসভার আয়োজন করা হবে। যেই জনসভাগুলিতে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্রের পাশাপাশি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাটও অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। সিপিআইএমের মূল্যায়ণ, ভোটের আগে দলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটি যেভাবে কাজ করছে, তা গোটা দলের কাছে দৃষ্টান্তস্বরূপ।






Post Your Comment

Total Comments:2

আজ যে ঘটনা কাঁচরা পাড়া বা কাকিনারাতে ঘটেছে বামেদের পদযাত্রার উপর,দুই ক্ষেত্রে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শুব্রাংসু এবং অর্জুন সিং এবং তাদেরকে সহজগিতা করেছেন মমতা ব্যেনারজির নির্দেশে তার পুলিশ বাহিনি। কাকিনারায় পুলিসের সামনে বম পিস্তল এবং তলওয়ার নিয়ে ঘুরছে,কিন্তু নপুংসক পুলিস কিছু বলতে পারছেন না, অর্জুন সিং নিজে নেত্রিত দিয়েছিলেন ।সুতরাং সামনে এমন দিন আসছে মারের বদলে মার হবে ,কারন জুবক রা কতদিন এই ভাবে মার খাবেন বা খাবেন বা কেন ?তবে শুব্রাংসু জন স্রতের আবস্থা তের পেয়ে পালিয়ে গেছেন।পুলিশ যদি কাকিনারায় অর্জুন কে সহজগিতা না করত তাহলে কন গোলমাল হত না

When minister of state assembly are beating the M.L.a of against rulling party in the assembly house then the supporter of rulling party will do the same and it is natural . I am very shamed to inform you that one of the minis ter in the assembly house was my matternal uncle, who,s father name is Late Bimalendu krishna singha bolpur but their original village house is Kolohopur under P.s-Murarai dt-Birbhum.our grand father and his brother has sacrificed for freedom movement and fight for independence and late ramendra krishna singha who,s grand son is Minister Chandranath singha has helped for indian freedom movement but how can he(Minister of state)beat the opponant party, i am very puzzled and shocked.

  • swapan
  • Posted: 12/22/2012 11:16:16 PM

আপনি যদি কাঁচরা পাড়ার বা কাকিনারার দৃশ্য দেখতেন বা পুলিশের কারজ্য কলাপ তাহলে দিল্লির ঘটনাকে কে ও পেছনে ফেলে দিত অর্জুন সিং বা পুলিশের সামনে জেই ভাবে পিস্তল বা তলয়ার নিয়ে বাহিনি ঘুরছিল তাতে মনে হছিল্ল যে অস্ত্র কারখানার মালিক সেই অরজুন। তবে অবস্থা খুব ভয়া বহ ।জানি না আগামিদিন জুবক ছেলেদের অবস্থা।এই ভাবে প্রকাস্যে পুলিশের সামনে অস্ত্র নিয়ে ঘোড়া আর কখন দেখি নি

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।