ঝাড়গ্রামে সিআরপিএফ ক্যাম্পে জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যু

Update: October 8, 2012 12:57 IST

ঝাড়গ্রামে সিআরপিএফের ক্যাম্পে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক জওয়ানের। বিলাল আহমেদ নামে ওই জওয়ান কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার বাসিন্দা। কয়েক মাস আগেই ঝাড়গ্রামে বদলি হয়ে এসেছিলেন তিনি। সিআরপিএফের ১৮৪ ব্যাটেলিয়ানের জওয়ান ছিলেন বিলাল আহমেদ। আজ সকালে তাঁকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মনে করা হচ্ছে, ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ওই জওয়ানের।

তাঁর শরীরের কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিস। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে। গত সপ্তাহে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন দুই সিআরপিএফ জওয়ান। গোয়ালতোড়ের মেটেলার জঙ্গলে সিআরপিএফের ট্রেনিং ক্যাম্পে হামলা চালায় সশস্ত্র মাওবাদীরা। নিহত ওই দুই জওয়ানও ১৮৪ ব্যাটেলিয়ানের সদস্য ছিলেন।    

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।