ধুপগুড়িতে আঁধারে স্বাস্থ্য

দিনের পর দিন খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে জেনারেটর। তাই লোডশেডিং হলে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে একমাত্র ভরসা মোমবাতি। অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে সেলাইন, ইঞ্জেকশন, কাজ চলছে মোমবাতির আলোয়। জেলা প্রশাসন থেকে জেলা স্বাস্থ্য দফতর, সব জায়গাতেই জানানো হয়েছে সমস্যার কথা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

Updated: Jan 16, 2013, 02:16 PM IST

দিনের পর দিন খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে জেনারেটর। তাই লোডশেডিং হলে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে একমাত্র ভরসা মোমবাতি। অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে সেলাইন, ইঞ্জেকশন, কাজ চলছে মোমবাতির আলোয়। জেলা প্রশাসন থেকে জেলা স্বাস্থ্য দফতর, সব জায়গাতেই জানানো হয়েছে সমস্যার কথা। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
লোডশেডিং হয়ে গেলে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের মোমবাতিই ভরসা। আঁধার ঘেরা হাসপাতালে মোমবাতিই হয়ে দাঁড়ায় পরিত্রাতা।
সমস্যাটা কিন্তু নতুন নয়। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, দুমাস ধরে খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে হাসপাতালের জেনারেটর। জেলা স্বাস্থ্য দফতর এবং প্রশাসনকে জানানো সত্ত্বেও কাজ হয়নি।
ইঞ্জেকশন দেওয়া থেকে অস্ত্রোপচার সবই চলছে মোমবাতির আলোয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার জানিয়েছেন, কীভাবে চরম ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
বারবার জানানো সত্ত্বেও কেন দুমাসেও ঠিক হল না জেনারেটর? স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব এর জন্য স্বাস্থ্য দফতরের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছে।
ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল প্রতীক মাত্র। রাজ্যের বহু গ্রামাঞ্চলে এখনও লোডশেডিং নিত্যদিনের ঘটনা। সেই সব জায়গায় একবার আলো গেলে, ঘণ্টাখানেক এমনকী তার চেয়েও বেশী সময় অন্ধকারে ডুবে থাকে। ভুগতে হয় গ্রামীণ হাসপাতালগুলিকে। লোডশেডিং হলেই আঁধার নেমে আসে। ভরসা হয়ে ওঠে মোমবাতি। তবু নির্বিকার থাকে স্বাস্থ্য দফতর। খারাপ হয়ে পড়ে থাকে জেনারেটর। টর্চ হাতে হাসপাতালে আতঙ্কের রাত জাগেন রোগীরা।