ফের ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, এবার ডায়মন্ড হারবারে

Update: December 30, 2012 19:49 IST

বারাসতের পর এবার ডায়মণ্ডহারবার। রবিবার সকালে ডায়মন্ডহারবার পুরসভা এলাকায় নদীর পার থেকে উদ্ধার হয় এক তরুণীর মৃতদেহ। তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে তাঁকে। পরিবারের তরফে স্থানীয় দুই যুবকের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

পর্যাপ্ত আলো নেই।  টহলদারির কথা থাকলেও সন্ধ্যার পর দেখা মেলে না পুলিসের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারই সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে ডায়মন্ডহারবার পুরসভার দু নম্বর ওয়ার্ড।  নিজের প্রাণ দিয়ে এক তরুণীকে যার খেসারত দিতে হল ।

শনিবার রাতে ডায়মন্ডহারবারের নিউটাউনে একাই মেলা দেখতে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এক যুবকের সঙ্গে বাইকে চেপে মেলা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। রবিবার সকালে দু নম্বর ওয়ার্ডের রামরামপুরের হুগলি নদী তীরবর্তী এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তরুণীর মৃতদেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ডায়মন্ডহারবার থানার আইসি। আসেন স্থানীয় কাউন্সিলর। পুলিসের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনিও।

মৃতদেহের পাশ থেকে মোবাইল ফোন এবং একটি মানিব্যাগ উদ্ধার হয়েছে।  পরিজনদের অভিযোগ, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তরুণীকে। প্রিন্স ও রাজা নামে স্থানীয় দুই যুবকের বিরুদ্ধে ডায়মন্ডহারবার থানায় অভিযোগও দায়ের করেছে তরুণীর পরিবার।

ঘটনার তদন্তে নেমেছে ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিস। খতিয়ে দেখা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মোবাইলের কললিস্ট।

Post Your Comment

Total Comments:2

There is no wonder in these crimes now happening everyday in Mamata misruled West Bengal. Mamata`s pet and highly paid `intellectual` Arpita Ghosh knows and says that rape victims themselves are the culprits always! Mamata`s party MP Kakoli Ghosh Dastidar gives verdict that victims are none but prostitutes and when there is monetary problem it is shown as RAPE! When these are the attitude of rulers and ruling party with tacit support of Mamata then RAPE is inevitable In West Bengal and Rapists know very well Mamata Govt. never punish such people.

Ami ai alakar basintar ai alakar pan sigareter tokan gulo ai sob kaje sahajo kore

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।