লোবা গ্রামবাসীদের মানবাধিকার কমিশনে যাওয়ার পরামর্শ দীপার

Update: November 12, 2012 13:53 IST

পুলিসের কাজ সুরক্ষা দেওয়া, গুলি চালানো নয়। লোবা গ্রামের ঘটনায় প্রশাসনকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। এরই সঙ্গে গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। সোমবার লোবায় গিয়ে দীপা বলেন, "লোবা নিয়ে কোনও রাজনৈতিক দলকে ফায়দা তুলতে দেব না।" লোবা গ্রামে গুলি চালনোর ঘটনা `সাজানো`, মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন দীপা।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে গ্রামবাসীদের রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ারও পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।  সেইসঙ্গে, রাজ্য সরকারের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যকে ক্রমশ নীচের দিকে নিয়ে যচ্ছে বলে মন্তব্য করেন দীপা দাশমুন্সি।

Post Your Comment

Total Comments:3

Bengal is going down. Politics of vested interest is absolutely visible. Personal comment about Smt Deepa Das Munshi is deplorable and immoral.

I want impartial investigation. Probably C.I.D. will not be able to do this properly.

DIPA DASMUNSI KE BOLUN AGE OR SWAMI SUSTHA KARTE TAR PAR RAJNITI KARTE. CHARITI BIGANS AT HOME.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

DIPA DAS MUNSHI-r moto koto jon ache a juge? J nijer osustho swami k rekhe manusher jonnoy kaz korchen.BORTOWAN CM -R MOTO SWOJON POSHON KORCHEN NA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।