চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, গ্রামে ফিরছেন সিদ্দিকা

Update: August 3, 2012 17:53 IST

হরমোনের বিরল রোগে আক্রান্ত সিদ্দিকা পরভিনের চিকিত্‍‍‍সায় গাফিলতির অভিযোগ উঠল। পরিবারের অভিযোগ, গত পাঁচই জুলাই খুব ঘটা করে সিদ্দিকাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন কারামন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তী। ভর্তি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু একমাস কেটে গেলেও সিদ্দিকার কোনও চিকিত্‍‍‍‍সাই শুরু হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। প্রতিশ্রুতি মতো সিদ্দিকার পরিবারের থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে রাস্তায় দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন সিদ্দিকার পরিবারের সদস্যরা।

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বাসিন্দা সিদ্দিকা পরভিন। হরমোনের বিরল রোগে আক্রান্ত। দেহ বিশালাকার হয়ে যাচ্ছে। বছর পঁচিশের সিদ্দিকার প্রতিদিন প্রায় দু`কিলো চালের ভাত লাগে। দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সিদ্দিকার এই বিরল রোগের চিকিত্‍‍‍‍সা করা সম্ভব হয়নি। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর চিকিত্‍‍সার ব্যবস্থা করে রাজ্য সরকার। কারামন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তীর উদ্যোগে গত ৫ জুলাই সিদিক্কাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গঠন করা হয় মেডিক্যাল বোর্ড।

গত একমাসে সিদ্দিকার চিকিত্‍‍‍‍‍সায় বিশেষ কিছু করা হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। সিদ্দিকার বেশি পরিমাণ খাবার দরকার হয়। সেকথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলা হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। টাকার অভাবে ইতিমধ্যেই বালুরঘাটে ফিরে গিয়েছেন সিদ্দিকার মা। এই অবস্থায় তাঁদের পক্ষেও বেশিদিন কলকাতায় থাকা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সিদ্দিকার প্রতিবেশী। কারামন্ত্রীর সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তাঁরা।

তবে এই ধরনের বিরল রোগের চিকিতসায় আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

এই অবস্থায় হাসপাতালে থাকতে চাইছেন না সিদ্দিকা। সুচিকিত্‍‍‍‍‍‍সার আশা ছেড়ে, এখন ঘরে ফিরতে আগ্রহী তিনি। আর তাঁর পরিবারের অভিযোগ, কী চিকিৎসা, কী তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত, কোনও প্রতিশ্রুতিই রাখেননি মন্ত্রীরা।  

Post Your Comment

Total Comments:3

BHALOI BES FALSE KHAWALO PARIBOTON ER SARKAR............. ETAI PORIBOTON HOBAR CHILO HEALTH , EDUCATION ETC. SOB DIKEI EK CONDITION. KICHUI PORBORTON HOLO KI ADEOY.....................................................

gache tule siri kere neoar obhasta to r oder sikhte hoi na karon oder mathar upor D..i achen tini bolechen uni korechen.tobe chinta korbena state taka nei tobuo uni onar prtusutir 99% kaj sompurno korechen ``ki koreche seta ora jane`` tokhon apnar prob ta o oi bhabe mukhe bole hoe jabe.amr to mone hoi akhon korle thik kaje asbe na ota bodhoi samner panchyet votr age akta babosta korbe karon tokhon propit ache ,tai akhon fire jan somoi hole ei neta netri ra thik chole jabe apnar barite. city te jol nei...... ssc exm e question pepar nei.......... meye der nirapotta nei..... rail e benche thakar garanti nei........ state e kono notun karkhana nei ......... bekarer kj nei............... bostir unnion nei........... mullo bridhir badhon nei........... Election e kono birodhi dol nei........ Hospital e kono porikathamo nei........ tobuo era 99% kj kore feleche tader theke er theke r ki bhalo bhabohar paben md Siddika.......... asa kori eder suchintar udoi hobe r apnio susto hoe uthben.

boro kotha bola er boro kaj ekjinis noy... sobai ekhone advertising korte basto.. ei gulor dike onader chok porbe keno.. porto jodi faida takto tahole.. mane kono advertising poua jeto tahole..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।