শ্লীলতাহানির অভিযোগ ফিরিয়ে বিতর্কে বিনপুর থানা

Update: January 16, 2013 20:46 IST

ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ নেয়নি পুলিস। গ্রেফতারও করা হয়নি অভিযুক্তদের। উল্টে ভুয়ো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ছাত্রীর পরিবারেরই তিনজনকে। এমনই অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুরের বিনপুরের এক পরিবারের। পরিবারের সদস্যদের মুক্তি দাবি করে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ওই ছাত্রীর মা। স্কুলে যাওয়ার আগে পুকুরে স্নান করতে যাচ্ছিল অষ্টম শ্রেণির এই ছাত্রী। সেই সময়ই কয়েকজন যুবক তাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।

ছাত্রীর চিত্‍কারে ছুটে এসে ওই যুবকদের বাধা দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনপুর থানা এই ঘটনার অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর। এরপর মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর বাড়িতে হাজির হয় বিনপুর থানার পুলিস। পরিবারের অভিযোগ, ওই ছাত্রীর তিন আত্মীয়কে তুলে নিয়ে যায় তারা। পরে খুনের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় রীতমতো সন্ত্রস্ত ওই ছাত্রীর পরিবারের বাকি সদস্যরা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।