দিল্লিতে ক্রিকেট-প্রেমী দ্রোগবা

Update: June 17, 2012 23:13 IST

রবিবাসরীয় রাজধানী দেখল অন্য দ্রোগবাকে। যার কথায় ফুটবল কম, ক্রিকেট বেশি। নয়াদিল্লিতে একটি ঠান্ডা পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রচারে দ্রোগবার গলায় শুধুই ক্রিকেট। যদিও ধোনি থেকে শুরু করে সচিন-উচ্চারণের অসুবিধার কারনে কারও নামই মুখে এলনা। তবে খামতি ছিলনা প্রশংসার। আর ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের ছবি যে তাঁর স্মৃতির ফটোফ্রেমে এখনও রয়েছে তাও বলতে ভুললেন না সদ্যই চেলসিকে বিদায় জানানো সুপারস্টার দিদিয়ের দ্রোগবা।

ভারতীয় ফুটবল নিয়ে তাঁর জ্ঞান যে খুব কম তা স্বীকার করে নেন আইভরি কোস্ট তারকা। একবার দেখেছেন ভারতীয় ফুটবলের ঝলক। ভারতে এসে  পিছিয়ে পড়া দেশের ফুটবল নিয়ে কম মুখ খুললেও সুনীল ছেত্রীদের ঘিরে দর্শকদের উন্মাদনার প্রশংসা করতে পিছপা হলেননা তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।