শুক্রবার সন্ধ্যায় মৃদু ভূমিকম্প গোটা রাজ্যে, উত্‍স অসম

Update: May 11, 2012 19:43 IST

ফের ভূমিকম্প পূর্ব ও উত্তরপূর্ব ভারতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১১ মিনিটে রিখটর স্কেলে ৫.৩ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে অসম-সহ উত্তরপূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ। কম্পন অনুভূত হয়েছে এরাজ্যের জেলাগুলিতেও। দুই দিনাজপুর, মালদা, বর্ধমানেও কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে বলে খবর মিলেছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, গুয়াহাটি থেকে ১১৪ কিলোমিটার পূর্বে অসমের তেজপুরের কাছে ছিল কম্পনের উপকেন্দ্র। কলকাতাতেও মৃদু ভূকম্প অনুভূত হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:5

I think that nature sometimes appeares to us in destructive way.

I think that nature sometimes appeares to us in destructive way.

It`s a Situation Like `` RAM NIBS``When DEVI SITA ASKED TO EARTH GIVE ME SHELTER``SHE FEELING INSULTED``THAT TIME ALSO SITUATION COMES LIKE AND HERE IS THE SITUATION OF ``CENTRAL+SATE``GOVERNMENT IS SQUEEGEEING COMMON PEOPLE ``PEOPLE WANT SHELTER IN EARTH``

Kolkatai bristir kono purbavas ache?

Kolkatai bristir kono purbavas ache?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।