উত্‍স নেপাল সীমান্ত, উত্তরবঙ্গের পরিসর ছাড়িয়ে কম্পন উত্তর-পূর্বে

Update: March 28, 2012 09:55 IST

ছ`মাস আগের ভয়াবহ স্মৃতি উস্কে দিয়ে ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দার্জিলিং পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। বুধবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটের এই কম্পন অনুভূত হয়েছে, পাহাড়, শিলিগুড়ি-ডুয়ার্স, দুই দিনাজপুর, মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে। ভূমিকম্প ঘিরে স্থানীয় মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতাতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। কম্পন অনুভূত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সিকিম এবং উত্তর পুর্বাঞ্চলের মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচলে।

ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর এখনও পাওয়া যায়নি। তবে সতর্কতা হিসেবে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় দূরপাল্লার ট্রেনগুলিকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ভূমিকম্পের উত্স ভারত-নেপাল সীমান্তে, ভূপৃষ্ঠের ১২ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৯। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সিকিম ও দার্জিলিং পাহাড়ের বিস্তীর্ণ অংশে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। বহু এলাকায় রাস্তা ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সেপ্টেম্বরের মতোই এবারও হিমালয়ের নীচে ভারতীয় প্লেট এবং তিব্বতীয় প্লেট-এর ঘর্ষণের ফলেই এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছে।





Post Your Comment

Total Comments:9

amader jagie dilo.

amader jagie dilo.

amader jagie dilo.

amader jagie dilo.

very fine.

very fine.

very fine.

r hoi to besi din hate nai?????????

Better service

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।