পাকিস্তানে মুক্তি পেল না "এক থা টাইগার"!

Update: August 17, 2012 20:24 IST

অনেক প্রত্যাশার পর, অবশেষে স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পেল "এক থা টাইগার"। কবীর খান পরিচালিত এই ছবিটি ভারতে মুক্তি পাওয়ার পরেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রথমদিনই ছবির বক্স অফিস কালেকশন ২৮.৩৯ কোটি টাকা। টেক্কা দিয়েছে "রা ওয়ান", "অগ্নিপথ"-এর মতো বাণিজ্যিক ভাবে সফল ছবিগুলিকেও। এক ভারতীয় বিশ্লেষকের মতে, মুক্তির মাত্র ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যেই ছবিটি ১০০ কোটির ব্যবসা করলে সেটা বলিউড বক্স অফিসে একটা ঐতিহাসিক রেকর্ড হবে।

তবে ভারতে দাপিয়ে ব্যবসা করলেও সলমন খানের `ব্লকবাস্টার` "এক থা টাইগার" পাকিস্তান প্রেক্ষাগৃহে লক্ষ্মীলাভ করতে পারেনি। সূত্রের খবর, ছবিটির `থিম` পাকিস্তান বিরোধী হওয়ায় সেখানে আগেই সিনেমাটিকে ব্যান করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি, পাক সেন্সার বোর্ড ছবিটি পাকিস্তানে মুক্তির ব্যাপারে ছাড়পত্র দিয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত টিম `ইটিটি` পাকিস্তানের বোর্ড সদস্যদের শেষ পর্যন্ত রাজি করাতে ব্যর্থ হয়। ফলে সলমন এবং "এক থা টাইগার"-এর পুরো ইউনিট খুবই হতাশ হয়ে পড়েন।

মনে করা হচ্ছে, ছবিটি পাকিস্তানে মুক্তি না পাওয়ায় তা সিনেমাটির `গ্রস কালেকশনে` যথেষ্টই প্রভাব ফেলবে।

Post Your Comment

Total Comments:2

Director/Actor &Producers must not depend upon business in Pakistan.Our patriotic Film must earn from our own country.

Super duper hit pic. Amer to mone hoi ata gorami kara chara r kichu noi. Jak amer mone hoi ati accept kara bhalo.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।