দলমা হাতির তাণ্ডবে তছনছ রাজপুর

Update: January 11, 2013 11:18 IST

বাঁকুড়ার রাজপুরে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল তছনছ করে দিচ্ছে দলমা থেকে আসা হাতির দল। সূর্য ডুবতে না ডুবতেই জঙ্গল ছেড়ে ফসলের খেতে হানা দিচ্ছে দলমার দামালরা। এর জেরে রীতিমতো ক্ষতির মুখে এলাকার কৃষকেরা। তাঁদের অভিযোগ, বন দফতরকে বার বার জানিয়েও লাভ হয়নি। সকালে চাষের জমিতে গেলে চোখে পড়ছে উজাড় করা আলু খেত। এখানে-ওখানে পড়ে আধ খাওয়া কুমড়ো। তছনছ সর্ষে খেত। 

বাঁকুড়ার রাজাপুর এলাকায় এখন এটাই প্রতিদিনকার ছবি। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমানা পেরিয়ে দলমার হাতির দল আশ্রয় নিয়েছে বাঁকুড়ার রাজাপুর লাগোয়া জঙ্গলে। প্রতিদিনই জঙ্গল পেরিয়ে তারা হানা দিচ্ছে চাষের জমিতে। ফসল নষ্ট হওয়ায় মাথায় হাত চাষিদের। হাতি খেদানোর জন্য স্থানীয় বন দফতরে বারবার আবেদন জানিয়েছেন চাষিরা। কিন্তু কাজের কাজ  হয়নি। বাধ্য হয়ে সাময়ের আগেই আলু, কুমড়ো মাঠ থেকে তুলে নিচ্ছেন তারা। তবে এতে হাতির দলকে এ়ডানো গেলেও মিলছে না ফসলের দাম। রীতিমতো ক্ষতির মুখে কৃষকেরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।