বিধ্বংসী আগুন পশ্চিম আমেরিকায়

Update: August 17, 2012 13:47 IST

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে পশ্চিম আমেরিকার দাবানল। ক্রমশই জঙ্গলের পরিসর ছাড়িয়ে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে আগুন। বিধ্বংসী আগুনে ওয়াশিংটনে ভস্মীভূত ৬০টির`ও বেশি বাড়ি। এবার ইডাহোর দিকে ধেয়ে চলেছে দাবানল। দুর্ঘটনা এড়াতে ফেদারভিলি এবং পাইন অঞ্চলে প্রায় ১০০০ মানুষকে নিরাপদ কোনও স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

এলমোর কাউন্টি শরিফের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তত্‍পরতায় আগুন নেভানোর কাজ চলছে। আকাশ থেকে জল ছড়ানো হচ্ছে। তবে হাওয়ার কারণেই দাবানল দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে মনে করেন মুখপাত্র গ্যারি ওয়াকার। আগুন নেভাতে গিয়ে বুধবারই মৃত্যু হয় এক দমকলকর্মীর। ক্যালিফোর্নিয়াতেও শতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকশো বাড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শহরের সমস্ত পার্ক। আগুনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন প্রায় ৮,০০০ দমকল কর্মী।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।