হড়কা বানে ভাসল নাগরাকাটার বস্তি

Update: June 16, 2012 15:48 IST

ডায়নার শাখা নদীর জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে গেল নাগরাকাটার খেরকাটা বস্তি। গতকাল রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে ডায়নার জলস্তর বেড়ে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০০টি বাড়ি। ত্রাণ বন্টনের কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার রাত থেকে একটানা বৃষ্টিতে কচি ডায়না নদীতে জলস্তর বাড়তে থাকে। মধ্য রাত থেকেই জল ঢুকতে শুরু করে নাগরাকাটা সহ পার্শবর্তী এলাকায়। খেড়কাটা বস্তির প্রায় তিনশোটি বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। টানা বৃষ্টির ফলে অন্যত্র সরে যেতেও পারেননি বাসিন্দারা। সকালের দিকে ফের জল ঢুকতে শুরু করলে সমস্যা দেখা দেয়। তবে সকাল থেকেই এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসন। ত্রিপল, শুকনো খাবার বিলি করা হয়।

ত্রাণ বিলির পাশাপাশি দুর্গতদের উঁচু জায়গায়ও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।