দৃঢ় শপথে গণশক্তি পত্রিকার প্রতিষ্ঠা দিবস পালন

Update: January 6, 2013 23:46 IST

গণশক্তি পত্রিকার ৪২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস আজ দুর্গাপুরের সৃজনী সভাঘরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তা গণশক্তির দুর্গাপুর সংস্করণ। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল বাংলা এখন। সেখানে নিজেদের মতামত পেশ করেন বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষ, সাহিত্যিক আবুল বাশার, অভিনেতা বাদশা মৈত্র এবং সিপিআইএম নেতা মানব মুখোপাধ্যায়।

বর্তমান সরকারের শাসনকালে কেমন আছে বাংলা। এটাই ছিল রবিবারের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করেন বক্তারা। নিজের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন কাজের কটাক্ষ করেন বিশিষ্ট আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষ।
 
বর্তমান সরকার ভ্রান্ত নীতির ফলে রাজ্যের অর্থনীতি যে ভেঙে পড়েছে, নিজের বক্তব্যে সেকথা বলেন সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানব মুখোপাধ্যায়। রাজ্যের বেহাল আর্থিক অবস্থা কথা বলেও, যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী সৌন্দর্য্যায়নে টাকাপয়সা খরচ করছেন, তার সমালোচনা করেন অভিনেতা বাদশা মৈত্র। রবিবারের আলোচনাসভায় সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন ব্রচেত দত্ত। অস্থিরতা কাটিয়ে উজ্জ্বল বাংলা গড়বে বামেরা। মানব মুখোপাধ্যায়ের এই দৃঢ় প্রত্যয়ের মধ্যে দিয়েই শেষ হয় আলোচনাসভা।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।