ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত কিশোরী

Update: February 13, 2013 11:56 IST

ফের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হলেন এক কিশোরী এবং তাঁর বাবা। গতরাতে ঘটনাটি ঘটেছে পুরলিয়ার তেলকল পাড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বেশ কিছুদিন ধরে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে উত্যোক্ত করত বাবন বাউড়ি নামে স্থানীয় এক যুবক।  গতরাতে কটুক্তির প্রতিবাদ করায় কিশোরীকে আক্রমণ করে বাবন বাউড়ি। ছুরি দিয়ে রীতিমতো কোপান হয় ছাত্রীকে। বাধা দিলে আক্রান্ত হন কিশোরীর বাবাও।

গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকেই দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাকে স্থানান্তরিত করা হয় অন্য হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুরুলিয়া থানার পুলিস। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত বাবন বাউড়ির এখনও কোনও হদিশ মেলেনি বলেই পুলিস সূত্রে খবর।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।