তেলেঙ্গানা রাজ্য হতেই, গোর্খাল্যান্ড পেতে মরিয়া মোর্চা

তেলেঙ্গানা রাজ্য হতেই, গোর্খাল্যান্ড পেতে মরিয়া মোর্চা

তেলেঙ্গানা রাজ্য হতেই, গোর্খাল্যান্ড পেতে মরিয়া মোর্চাপৃথক তেলেঙ্গানার পক্ষে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার প্রভাব পড়েছে পাহাড়ে। জিটিএ চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বিমল গুরুং। পদত্যাগের চিঠি তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপালের কাছে। একইসঙ্গে শনিবার থেকে পাহাড়ে  অনির্দিষ্টকাল বনধের ডাক দিয়েছে মোর্চা। নিজেদের পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করতে, বুধবার ফের বৈঠকে বসছে মোর্চা। পড়ুন জিটিএ-থেকে ইস্তফা বিমল গুরুংয়ের   

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাহাড় সমস্যা মেটাতে  সক্রিয় হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত তাঁর উদ্যোগেই স্বাক্ষরিত হয় জিটিএ চুক্তি। তারপর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করতে থাকেন পাহাড় হাসছে, সমতলও হাসছে। গত মঙ্গলবারও ভোটের প্রচারে আলিপুরদুয়ারে গিয়ে সেই দাবিই করেন তৃণমূল নেত্রী।  
  
মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের এক সপ্তাহও কাটেনি, ফের অশান্ত পাহাড়। বেশকিছু দিন ধরেই জিটিএ-এর কাজকর্মে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন মোর্চা নেতারা। এবার পৃথক তেলেঙ্গানার পক্ষে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার পরেই তার প্রভাব পড়ল পাহাড়ে। জিটিএ চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিমল গুরুং।
 
মঙ্গলবার সন্ধেয় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বিমল গুরুং। সেখানেই জিটিএ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন মোর্চা সভাপতি। একইসঙ্গে তেসরা অগাস্ট থেকে পাহাড়ে অনির্দিষ্টকাল বনধের ডাক দিয়েছে মোর্চা। ছাত্রছাত্রী ও পর্যটকদের পাহাড় ছাড়ার আর্জিও জানানো হয়েছে মোর্চার তরফে। এঅবস্থায় পরিস্থিতিতে পাহাড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। এদিকে পাহাড়ের অশান্ত পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ি করেছেন সিপিআইএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, চুক্তির মধ্যেই ছিল গোর্খাল্যান্ডের ন্যায্যতার দাবি।
  
রাজ্যের প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যর আশা, আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়েই শান্তি ফিরবে পাহাড়ে। মঙ্গলবার কালিম্পংয়ের দম্বরচকে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক যুবক। মোর্চা সমর্থক মঙ্গল সিং রাজপুত দম্বরচকে নিজের গায়ে আগুন লাগান। জিটিএ নিয়ে বিমল গুরুংয়ের অবস্থানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ের পরিস্থিতি সামাল দিতে চার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব।





First Published: Wednesday, July 31, 2013, 09:43


comments powered by Disqus