গুড়াপের তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের নজর দামোদরের চর

Update: March 3, 2013 19:58 IST

গুড়াপ হোমকাণ্ডের তদন্ত শুরু করল সিবিআই। সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যর প্রতিনিধি দল আজ জামালপুর থানায় দু দফায় বৈঠক করে পুলিসের সঙ্গে। সিবিআই অফিসাররা যান দামোদর নদের তৈলকূপি চরেও। গত বছরের জুলাই মাসে ওই চরের মাটি খুঁড়েই উদ্ধার হয় দুটি দেহ। পুলিসের সঙ্গে বৈঠক সেরে সিবিআই প্রতিনিধি দল যায় গুড়াপেও।
২০১২ সালের এগারোই জুলাই  হুগলির গুড়াপের দুলাল স্মৃতি সংসদের হোমে মানসিক প্রতিবন্ধী গুড়িয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনা চব্বিশ ঘণ্টার তদন্তেই প্রথমে সামনে আসে। সিআইডির তদন্তে আস্থা না রাখতে পেরে সম্প্রতি ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সিবিআই আজ গুড়াপের তদন্ত কীভাবে চালাল--
 
 
রবিবার, বেলা এগারোটা-
 
গুড়াপ হোমকাণ্ডের তদন্তে  জামালপুর থানায় গিয়ে পুলিসের সঙ্গে প্রায় আধঘণ্টা বৈঠক করেন সিবিআই  অফিসাররা।
 
রবিবার, বেলা সাড়ে এগারোটা-
 
জামালপুর থানা থেকে সিবিআইয়ের দলটি সোজা চলে যায় দামোদর নদীর তৈলকূপি শ্মশানঘাটের বালিচড়ে। । গত বছর সতেরোই জুলাই এই চড় খুঁড়ে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। ঘটনাস্থল চিহ্ণিত করে ছবি তুলে রাখেন সিবিআই অফিসাররা।
 
রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা--
তেলকূপি ঘাট পরিদর্শনের ফাঁকে একটি গোপন জায়গায় গিয়ে কিছুক্ষণ নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা সেরে নেন তদন্তকারী অফিসাররা।
 
রবিবার বেলা একটা--
 
ফের জামালপুর থানায় ফিরে শুরু হয় পুলিসের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠক চলে প্রায় চার ঘণ্টা ।  

রবিবার বিকেল পাঁচটা--
 
জামালপুর থানা থেকে গুড়াপের উদ্দেশে রওনা হয় সিবিআইয়ের দলটি

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।